সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে অপহৃত শিশুকে ফেরত পায় পরিবার: পুলিশ
৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে অপহৃত শিশুকে ফেরত পায় পরিবার: পুলিশ

৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে অপহৃত শিশুকে ফেরত পায় পরিবার: পুলিশ

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে অপহৃত পাঁচ বছরের এক শিশুকে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে পরিবারের সদস্যরা ফিরে পেয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আজ বুধবার বিকেলে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান।

পুলিশ জানায়, ২২ জুলাই দুপুরে উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্প-১১ থেকে মো. জুনায়েদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে রহমত আলীকে অপহরণ করা হয়। পরে অপহরণকারীরা শিশুটিকে হত্যার ভয় দেখিয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় এবং পরিবারের কাছে ছয় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান বলেন, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ভয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়ে অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে নানা চেষ্টা-তদবিরের পর ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় সমঝোতা হয়। অপহরণকারীদের নির্দেশনা অনুযায়ী মুঠোফোনে আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন হিসাবে টাকা পাঠানোর পর শিশুটিকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অহিদুর রহমান জানান, আজ বুধবার ভোরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে অপহরণকারী চক্রের সদস্য মো. জাকারিয়া ওরফে জকরিয়াকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে অপহৃত শিশুর বাবা মো. জুনায়েদ বলেন, প্রথমে অপহরণকারীরা ছয় লাখ টাকা দাবি করেছিল। পরে বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়। টাকা পাঠানোর পর তাঁর ছেলেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার জাকারিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপহরণ চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। উদ্ধার হওয়া শিশু বর্তমানে পরিবারের হেফাজতে রয়েছে।

About Editor Todaynews24

Check Also

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘বিক্ষত নসিব’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘বিক্ষত নসিব’

‘কবিতাটিতে কবি বারবার বলছেন, তিনি প্রিয় মানুষটিকে চান না। অথচ তাঁর প্রতিটি কথার মধ্যেই সেই মানুষটিকে গভীরভাবে চাওয়ার বিষয়টি বোঝা যায়। এই বিপরীত অনুভূতিই কবিতাটিকে আমার কাছে আকর্ষণীয় করেছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *