সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘বিক্ষত নসিব’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘বিক্ষত নসিব’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে ‘বিক্ষত নসিব’

প্রেমে কাছে পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা যেমন থাকে, তেমনি কখনো কখনো প্রিয় মানুষটিকে ইচ্ছা করেই নিজের জীবন থেকে দূরে রাখার চেষ্টাও থাকে। সেই চাওয়া ও না-চাওয়ার দ্বন্দ্বকে ধারণ করে লেখা হাসান করিমের কবিতা ‘বিক্ষত নসিব’। ২৭ জুলাই কবিতাটি নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

হাসান করিম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক। পাঠ আলোচনায় বন্ধু মাহিন ইসলাম বলেন, ‘কবিতাটিতে কবি বারবার বলছেন, তিনি প্রিয় মানুষটিকে চান না। অথচ তাঁর প্রতিটি কথার মধ্যেই সেই মানুষটিকে গভীরভাবে চাওয়ার বিষয়টি বোঝা যায়। এই বিপরীত অনুভূতিই কবিতাটিকে আমার কাছে আকর্ষণীয় করেছে।’

বন্ধু ইসনাইন আহমেদ বলেন, ‘কবিতাটিতে প্রেমকে খুব গোছানো বা আদর্শ কোনো অনুভূতি হিসেবে দেখানো হয়নি; বরং প্রিয় মানুষের হাসি, চাহনি কিংবা হঠাৎ মনে পড়ে যাওয়ার মতো ছোট ছোট বিষয় একজন মানুষকে কতটা অস্থির করে তুলতে পারে, সেটি এসেছে। “জামার শেষ বোতামটা লাগানোর কালে আয়নায় তুমি এসে গেলে যদি”—এ ধরনের পঙ্‌ক্তিগুলো কবিতাটিকে ব্যক্তিগত ও জীবন্ত করে তুলেছে।’

সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘কবিতার শেষের দিকটি বিশেষভাবে ভাবায়। “তুমি ভালো থেকো”—এই সাধারণ কামনাটুকুও কবি করতে চাইছেন না। কারণ, তাঁর ধারণা, তিনি যা চান, তা পান না। এখানে না-চাওয়ার আড়ালে আসলে প্রিয় মানুষের ভালো থাকার জন্য একধরনের নিঃশব্দ আকাঙ্ক্ষা আছে। কবিতার নাম “বিক্ষত নসিব”-এর সঙ্গেও এই অপূর্ণতার জায়গাটি সুন্দরভাবে মিলে যায়।’

আলোচনায় কবিতাটির প্রেম, আকাঙ্ক্ষা, বিরহ, আত্মসংযম ও না-পাওয়ার অনুভূতির পাশাপাশি এর ভাষা ও প্রকাশভঙ্গি নিয়েও কথা বলেন বন্ধুরা। পাঠচক্রের মধ্য দিয়ে একটি কবিতাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে পাঠ ও অনুধাবনের চেষ্টা করেন অংশগ্রহণকারীরা। পাঠচক্র সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ উদ্দিন।

About Editor Todaynews24

Check Also

জিয়াউলের নেতৃত্বে অভিযানে বস্তা বেঁধে গুলি করে নদীতে ফেলা হয় ভুক্তভোগীকে

জিয়াউলের নেতৃত্বে অভিযানে বস্তা বেঁধে গুলি করে নদীতে ফেলা হয় ভুক্তভোগীকে

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে হত্যার ঘটনায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় জবানবন্দি দিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. মনিরুল হক। সুন্দরবনের একটি অভিযানের বর্ণনা দিয়ে মনিরুল হক বলেন, র্যাবের গোয়েন্দা শাখার নেতৃত্বে সেই অভিযানে চোখ–হাত বাঁধা একজনকে নৌকার কিনারায় নিয়ে তার শরীরের সঙ্গে ভারী বস্তা বেঁধে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *