রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অপরিকল্পিত বর্জ্যে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে টেকনাফের হ্নীলা অঞ্চল। পাঁচটি ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের বসবাস হলেও পর্যাপ্ত বর্জ্য শোধনাগার না থাকায় খাল-বিল, কৃষিজমি ও নাফ নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতেই ক্যাম্পের পয়ঃবর্জ্য, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক মিশ্রিত ময়লা খাল হয়ে নদীতে গিয়ে পড়ছে। ফলে কৃষিজমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে না, লবণ চাষে ধস নেমেছে এবং মাছের উৎপাদনও কমে গেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে— • খালের পানির রং কালচে হয়ে গেছে • দুর্গন্ধে আশপাশের বসবাস কঠিন হয়ে পড়েছে • জীববৈচিত্র্য ও জলজ প্রাণী হুমকির মুখে • শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ বাড়ছে • বর্ষাকালে দূষিত পানি ঘরবাড়িতেও ঢুকে পড়ছে স্থানীয় কৃষক ও জেলেরা বলছেন, আগে যে খালের পানি দিয়ে কৃষিকাজ হতো, এখন সেই পানি জমিতে দিলেই ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লবণ চাষিরাও প্রতিবছর বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন। বর্তমানে পাঁচটি ক্যাম্পের জন্য মাত্র একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। পরিবেশবাদীদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নাফ নদীসহ পুরো এলাকার পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। Ai news ti k aktu. Sajiy dao
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে টেকনাফের হ্নীলা
টেকনাফ এর হ্নীলা অঞ্চল বর্তমানে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে খাল-বিল, কৃষিজমি ও নাফ নদী দিন দিন মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে।
জানা গেছে, পাঁচটি ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের বসবাস হলেও সেখানে পর্যাপ্ত বর্জ্য শোধনাগার নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ক্যাম্পের পয়ঃবর্জ্য, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক মিশ্রিত ময়লা খাল হয়ে নদীতে গিয়ে মিশছে। এতে কৃষিকাজ, লবণ চাষ ও মৎস্য উৎপাদনে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আগে যে খালের পানি দিয়ে সেচ কাজ করা হতো, এখন সেই পানি জমিতে দিলেই ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে লবণ চাষিরাও প্রতিবছর বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। জেলেদের দাবি, দূষণের কারণে মাছের উৎপাদনও আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, খালের পানির রং ইতোমধ্যে কালচে হয়ে গেছে এবং দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। জীববৈচিত্র্য ও জলজ প্রাণী হুমকির মুখে রয়েছে। পাশাপাশি শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্ষাকালে দূষিত পানি ঘরবাড়িতে ঢুকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে।
বর্তমানে পাঁচটি ক্যাম্পের জন্য মাত্র একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালু রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে নাফ নদী সহ পুরো এলাকার পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্যে ভয়াবহ পরিবেশ সংকটে টেকনাফের হ্নীলা
টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা অঞ্চল বর্তমানে ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের মুখোমুখি। রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে এলাকার খাল-বিল, কৃষিজমি ও নাফ নদী দিন দিন মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে।
তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি ক্যাম্পে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষের বসবাস হলেও সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য শোধনাগার নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই ক্যাম্পের পয়ঃবর্জ্য, প্লাস্টিক ও রাসায়নিক মিশ্রিত ময়লা আশপাশের খাল হয়ে নদীতে গিয়ে পড়ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও লবণ শিল্পেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আগে যে খালের পানি দিয়ে সেচ দেওয়া হতো, এখন সেই পানি জমিতে ব্যবহার করলেই ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একইভাবে লবণ চাষিরাও প্রতিবছর বড় ধরনের লোকসানের শিকার হচ্ছেন। জেলেদের ভাষ্য, পানিদূষণের কারণে নদী ও খালে মাছের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণের মাত্রা এতটাই বেড়েছে যে অনেক খালের পানির রং কালচে হয়ে গেছে এবং দুর্গন্ধে আশপাশের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠেছে। এতে জীববৈচিত্র্য ও জলজ প্রাণী হুমকির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে চর্মরোগসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে। বর্ষাকালে দূষিত পানি লোকালয়ে ঢুকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তোলে।
বর্তমানে পাঁচটি ক্যাম্পের জন্য মাত্র একটি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল। পরিবেশবিদদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে নাফ নদী সহ পুরো উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।