সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / শ্রীলঙ্কার র‍্যাম্পে নকশিকাঁথা নিয়ে গেল বাংলাদেশি যে ব্র্যান্ড
শ্রীলঙ্কার র‍্যাম্পে নকশিকাঁথা নিয়ে গেল বাংলাদেশি যে ব্র্যান্ড

শ্রীলঙ্কার র‍্যাম্পে নকশিকাঁথা নিয়ে গেল বাংলাদেশি যে ব্র্যান্ড

গত ১৬-১৮ জুলাই শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় সিনামন লাইফ হোটেলে হয়ে গেল দক্ষিণ এশীয় ফ্যাশন শো। এই আয়োজনে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপের নারী ফ্যাশন ডিজাইনাররা অংশ নেন।

দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সৃজনশীলতার বৈচিত্র্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরাই ছিল আয়োজনটির মূল লক্ষ্য। বাংলাদেশ থেকে এতে অংশ নেয় লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড ‘সিজ’ এবং ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘অরণ্য’।

শ্রীলঙ্কার সিলোন চেম্বার অব উইমেন এন্টারপ্রেনার্স আয়োজিত এই ফ্যাশন শো–এর লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব জোরদার করা। একই সঙ্গে ফ্যাশনের মাধ্যমে নারী উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে এই আয়োজন।

প্রথমবার আন্তর্জাতিক র‍্যাম্পে দেখা গেল দেশি ব্র্যান্ড সিজ–এর পোশাক

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা উইমেন্স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নাজ ফারহানা।

তিন দিনের আয়োজনে ছিল দুটি ফ্যাশন শো। ১৬ জুলাই উদ্বোধনী প্রদর্শনীর প্রতিপাদ্য ছিল ‘থ্রেডস অব ইনক্লুশন: উভেন ফর এভরি ওয়াক অব লাইফ’। এখানে তুলে ধরা হয় বৈচিত্র্য, অন্তর্ভুক্তি ও নারীর ক্ষমতায়নের বার্তা। অংশ নেওয়া প্রতিটি ব্র্যান্ডই এই দিন একটি করে পোশাক উপস্থাপন করে।

১৮ জুলাই চূড়ান্ত পর্বে নকশিকাঁথাকে আধুনিক নকশার মাধ্যমে তুলে ধরে সিজ। ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী সামাহা সুবাহ বলেন, ‘এটি আমাদের প্রথম আন্তর্জাতিক র‍্যাম্প। প্রতিটি পোশাকে নকশিকাঁথার গল্প, কারুশিল্প ও সাংস্কৃতিক পরিচয় ফুটে উঠেছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও অংশ নেয় অরণ্য। পোশাকে প্রাকৃতিক রং আর নানা ধরনের কাট উপস্থাপন করে তারা। বাংলাদেশের দুটি ব্র্যান্ড-ই পাঁচটি করে পোশাক তুলে ধরে।

About Editor Todaynews24

Check Also

যদি ৩৬ জুলাই সফল না হতো, তাহলে কী ঘটতো…

আন্দোলনের শেষ দিকের বক্তব্যে আমি বলেছি, ‘যদি শীঘ্রই শেখ হাসিনার পতন ঘটাতে না পারি তবে তিনি অন্তত এক লক্ষ মানুষকে হত্যা করবেন ক্ষমতায় থাকার জন্য। নিহতরা অধিকাংশই হবেন শিক্ষার্থী। ফলে দেশের আগামী প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে। আরও বহু বছর তাকে হটিয়ে দেওয়ার জন্য কেউ থাকবে না।’ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *