সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / রোমশ আবেদনে ঋতাভরীর 'ওয়াইল্ড' লুক
রোমশ আবেদনে ঋতাভরীর 'ওয়াইল্ড' লুক

রোমশ আবেদনে ঋতাভরীর 'ওয়াইল্ড' লুক

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী বরাবরই নিজের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি ও স্বতন্ত্র স্টাইল সেন্সের জন্য আলোচনায় থাকেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর নতুন ফটোশুটেও ধরা দিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবেদনময়ী রূপে।

আলো-ছায়ার মায়াবী খেলায় ক্যামেরাবন্দী এই লুকে ঋতাভরীর আবেদনময় উপস্থিতি ও বিলাসী ফ্যাশনের এক নিখুঁত মেলবন্ধন ধরা পড়েছে। ফটোশুটে তিনি পরেছেন কালো স্ট্র্যাপি বডিকন ড্রেস, যার কাটআউট ডিটেইল লুকটিতে যোগ করেছে ভিন্ন আবেদন।

আবার ড্রেসটিকে লঞ্জরি-অনুপ্রাণিত কাটআউট বডিস্যুটও বলা যায়। এর সঙ্গে কাঁধে জড়ানো বাদামি ফার স্টোল পুরো স্টাইলিংয়ে এনেছে লাক্সারির অনুভূতি।

পোশাকের সঙ্গে কখনো চোখে পরেছেন ক্যাট-আই সানগ্লাস, যা লুকটিকে দিয়েছে রেট্রো হলিউডের ছোঁয়া।

পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে ঋতাভরী বেছে নিয়েছেন বড় আকৃতির সোনালি হুপ কানের দুল। হাতে শোভা পাচ্ছে মিনিমাল আংটি ও ব্রেসলেট। পায়ে লাল-কালো কম্বিনেশনের স্টাইলিশ বুট পুরো স্টাইলিংয়ে যোগ করেছে সাহসী ফ্যাশন স্টেটমেন্ট।

মেকআপে রাখা হয়েছে সফট গ্ল্যাম লুক। ফ্ললেস ম্যাট বেসের সঙ্গে পিচ টোনের ব্লাশ, হাইলাইটার ও ন্যুড-মভ লিপস্টিকে সেজেছেন এই সুন্দরী।

চোখে উইংড আইলাইনার, মাসকারায় ঘন আইল্যাশ এবং নিখুঁতভাবে আঁকা ভ্রু তাঁর লুককে করেছে আরও আকর্ষণীয়। অন্যদিকে খোলা ঢেউখেলানো ভলিউমিনাস চুলে ফুটে উঠেছে ক্ল্যাসিক হলিউড গ্ল্যামের আবহ।

মাত্র দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ওগো বধূ সুন্দরী’ দিয়ে অভিনয়ে অভিষেক হয় ঋতাভরীর। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় সিনেমা ও ওয়েব কনটেন্টে অভিনয় করে তিনি টালিউডে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন। ৩৪ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী তাঁর স্টাইল, আত্মবিশ্বাস ও ব্যক্তিত্ব দিয়ে সমানভাবে মুগ্ধ করে চলেছেন দর্শকদের।

ঋতাভরীর ফ্যাশনের বিশেষত্ব হলো তিনি কখনোই প্রচলিত সৌন্দর্যের ধারণার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন না। শাড়ি, গাউন কিংবা সাহসী ওয়েস্টার্ন আউটফিট—সব ধরনের পোশাকই তিনি অনায়াসে ক্যারি করতে জানেন।

নিজের এই ছবিগুলোর ক্যাপশনে ঋতাভরী লিখেছেন, ‘তোমাকে কি গোলাপ বলে ডাকতে পারি?’ ক্যাপশনের মতোই তাঁর এই ফটোশুটে ফুটে উঠেছে কোমলতা, রোমান্টিক আবহ ও আত্মবিশ্বাসী গ্ল্যামারের মেলবন্ধন।

ছবি: ইন্সটাগ্রাম

About Editor Todaynews24

Check Also

যদি ৩৬ জুলাই সফল না হতো, তাহলে কী ঘটতো…

আন্দোলনের শেষ দিকের বক্তব্যে আমি বলেছি, ‘যদি শীঘ্রই শেখ হাসিনার পতন ঘটাতে না পারি তবে তিনি অন্তত এক লক্ষ মানুষকে হত্যা করবেন ক্ষমতায় থাকার জন্য। নিহতরা অধিকাংশই হবেন শিক্ষার্থী। ফলে দেশের আগামী প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে। আরও বহু বছর তাকে হটিয়ে দেওয়ার জন্য কেউ থাকবে না।’ 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *