ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগকে ‘গণতন্ত্রের জয়’ বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি বলেছেন, এটি শান্তি, ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের জয়। রাজপথের আন্দোলন থেকে এই বিজয় এসেছে।
আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ওয়াংচুক লেখেন, ‘এটি গণতন্ত্রের জয়, প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের জয়, যা সরাসরি রাজপথ থেকে অর্জিত।’
এনইইটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। দ্রুত আন্দোলন বেগবান হয়। এতে নানা রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ যোগ দেন।
এ আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে টানা ২৬ দিন অনশন করেন ওয়াংচুক। পরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
যোগদানকারী সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে ওয়াংচুক এক্সে লেখেন, সিজেপি, জেন-জি প্রজন্মের তরুণ–তরুণী এবং ভয় ও ভয়ের আতঙ্ক কাটিয়ে দেশের সব প্রান্ত থেকে রাস্তায় নেমে আসা সব নাগরিককে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর সিজেপির আন্দোলনের পরবর্তী লক্ষ্য শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার হওয়া উচিত বলে মনে করেন ওয়াংচুক। তিনি বলেন, ‘এখন জবাবদিহি থেকে সংস্কারের দিকে এগোতে হবে।’
এনইইটি পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এবং এ বিষয়ে সরকারের ভূমিকার প্রতিবাদে কয়েক সপ্তাহ ধরে সিজেপির নেতৃত্বে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ শনিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই ছাত্র আন্দোলন শুরু থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিল।