Saturday , 14 March 2026 [bangla_day] , [english_date], [bangla_date]
সর্বশেষ খবর
Home / বানিজ্য / রীতিমতো উধাও হয়ে গেছে বোতলজাত সয়াবিন তেল

রীতিমতো উধাও হয়ে গেছে বোতলজাত সয়াবিন তেল

বাজার থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেল রীতিমতো উধাও হয়ে গেছে। বিশেষ করে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের এক থেকে দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই বললেই চলে। ক্রেতারা বাজারে একাধিক দোকান খুঁজে দুই-একটি বোতলজাত সয়াবিন পেলেও দাম রাখা হচ্ছে বেশি।

শুক্রবার রাজধানীর কাওরান বাজার, মহাখালী, শান্তিনগর ও তুরাগ এলাকার নতুন বাজারে খোঁজ নিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।

রাজধানীর একাধিক বাজারের খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ভোজ্য তেল পরিশোধন কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে না।

এর মধ্যে দুই-একটি কোম্পানি করলেও তা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। নাম না প্রকাশের শর্তে এই ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বাজারে সরবরাহ কমিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে।

আগামী রমজানকে সামনে রেখে কোম্পানিগুলো সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানোর জন্য এটা করছে বলে তারা অভিযোগ করেছেন।

এদিকে ভোজ্য তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার শুল্ককর কমালেও এর কোনো ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বাজারে।

আমদানিকারকরা বলেছেন, বর্তমানে বিশ্ববাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়তি। এ অবস্থায় তারা ভোজ্য তেলের দর সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন।

কাওরান বাজারের রামগঞ্জ জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন ইত্তেফাককে বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ নেই। কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ করছে না।

একই কথা জানিয়ে এই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী আনোয়ার ট্রেডার্সের জসিম উদ্দিন বলেন, দোকানে তেল না থাকায় তার ব্যবসা কমে গেছে। কারণ, ক্রেতারা তেলের সঙ্গে অন্যান্য পণ্যও কিনে।

তিনি বলেন, অনেক তাগাদা দেওয়ার পর দুই-একটি কোম্পানি অল্প কিছু বোতলজাত সয়াবিন তেল দিলেও এর সঙ্গে আটা, ময়দা কেনার শর্ত জুড়ে দিচ্ছে। অথচ বাজারে এই কোম্পানিটির আটা, ময়দার চাহিদা কম। এতে সমস্যা পড়তে হচ্ছে।

সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, খুচরা পর্যায়ে বর্তমানে এক লিটার খোলা সয়াবিন ১৬৫ থেকে ১৬৮ টাকা, এক লিটারের খোলা পাম অয়েল ১৫৭ থেকে ১৫৯ টাকা ও এক লিটারের সুপার পাম অয়েল ১৬২ থেকে ১৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোক্তারা অভিযোগ করেছেন, যে দুই-একটি দোকানে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে, তারা নির্ধারিত দরের চেয়ে অনেক বেশিতে তা বিক্রি করছেন।

টিসিবির হিসেবে, এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ১৬৭ থেকে ১৭০ টাকা, দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকা ও পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন ৮১৫ থেকে ৮১৮ টাকা বিক্রি হওয়ার কথা।

ক্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি এফ এম নাজির হোসেইন বলেছেন, বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে এখন দেশে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে।বর্তমানে বাজারে যে তেল বিক্রি হচ্ছে তা আগে আমদানি করা।

তিনি বলেন, ভোক্তাদের জিম্মি করে ভোজ্য তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

About Editor Todaynews24

Check Also

ভারত থেকে পণ্য আমদানি কমেছে প্রায় সাড়ে ৯ শতাংশ।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পাকিস্তান থেকে দেশে পণ্য আমদানি বেড়েছে ২৭ শতাংশের বেশি। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *