সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / বদলে যাচ্ছে ঘরের সাজ
বদলে যাচ্ছে ঘরের সাজ

বদলে যাচ্ছে ঘরের সাজ

বর্ষাকালে দেয়ালে আর্দ্রতা, ছত্রাক, নোনা ধরা বা রং খসে পড়ার মতো সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। তাই দেয়ালের সুরক্ষায় এখন শুধু পছন্দের শেড বেছে নেওয়াই যথেষ্ট নয়; বরং অ্যান্টিফাঙ্গাল, ওয়াটার ও অ্যালকালি রেজিস্ট্যান্স প্রযুক্তির রং ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি মেঘলা দিনে ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়াতে অফ-হোয়াইট বা হালকা শেডের সঙ্গে সিল্ক বা এগশেল ফিনিশের রঙের ব্যবহার বাড়ছে।

ক্রেতাদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে কোম্পানিগুলো এখন বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর পেইন্ট তৈরি করছে।

দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব: লো বা জিরো ভিওসি পেইন্টে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান কম থাকায় দুর্গন্ধ হয় না এবং ঘরের বায়ুর মান ভালো থাকে।

তাপ-প্রতিফলক (কুলিং): এই প্রযুক্তির রং সূর্যের তাপ প্রতিফলিত করে ঘরের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমাতে পারে।

পরিষ্কারযোগ্য ও জীবাণুরোধী: ওয়াশেবল বা দাগ-প্রতিরোধী রঙের সুবিধা হলো সাবান-পানি দিয়ে দেয়ালের সাধারণ দাগ সহজেই মুছে ফেলা যায়। এ ছাড়া অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল রং দেয়ালে ক্ষতিকর জীবাণুর বিস্তার রোধ করে।

দরদাম ও ব্র্যান্ড

ব্র্যান্ড, পণ্যের মান, শেড, প্যাক সাইজ ও প্রযুক্তিভেদে ইকোনমি বা সাধারণ ইন্টেরিয়র পেইন্ট প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা। মাঝারি মানের প্লাস্টিক বা অ্যাক্রিলিক ইমালশন পড়বে প্রতি লিটার ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা।

প্রিমিয়াম ইন্টেরিয়র, ওয়াশেবল বা সিল্ক ফিনিশ পেইন্ট প্রতি লিটার ৫৫০ থেকে ১ হাজার টাকা বা তার বেশি। মাঝারি মানের ঘরের বাইরের পেইন্ট প্রতি লিটার ৪৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। প্রিমিয়াম ওয়েদারপ্রুফ, হিট রিফ্লেকটিভ বা বিশেষ প্রযুক্তির এক্সটেরিয়র পেইন্ট প্রতি লিটার ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকা বা তার বেশি।

সীমিত বাজেটে রঙের ব্র্যান্ড, প্রযুক্তি নাকি ফিনিশ—কোনটিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, এ বিষয়ে রেইনবো পেইন্টসের হেড অব বিজনেস এ এস এম ফয়সাল বলেন, বাজেট সীমিত হলে প্রথম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত দেয়ালের মূল সমস্যার সমাধান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক প্রযুক্তির পেইন্ট নির্বাচন। শুধু চকচকে ফিনিশ বা কম দাম দেখে রং নির্বাচন করলে দীর্ঘ মেয়াদে মেরামতের খরচ বেড়ে যেতে পারে। তাই স্যাঁতসেঁতে ভাব বা ফাটল থাকলে তা সারিয়ে নিয়ে বিশ্বস্ত ও মাননিয়ন্ত্রিত ব্র্যান্ডের রং বেছে নেওয়া উচিত।

উদাহরণ হিসেবে এ এস এম ফয়সাল বলেন, শোবার ঘরে লো-ভিওসি, রান্নাঘর ও শিশুদের ঘরে পরিষ্কারযোগ্য, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ছত্রাক-প্রতিরোধী এবং বাইরের দেয়ালে আবহাওয়া–প্রতিরোধী রংকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয়টি বর্তমানে বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। এ কারণে শিশু থাকা পরিবার, হাসপাতাল, স্কুল থেকে শুরু করে আধুনিক প্রজন্মের বাড়ির মালিক ও স্থপতিদের কাছে পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর রঙের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

About Editor Todaynews24

Check Also

বরগুনায় প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যুর বিচার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

বরগুনায় এক প্রবাসীকে হত্যার অভিযোগে বিচারের দাবিতে তার মরদেহ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী ও স্বজনরা। শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বরগুনা-পুরাকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের চালিতলা স্ট্যান্ড এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। নিহত মো. আফাং শিকদার (৪৫) বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া চালিতাতলা গ্রামের মৃত খবির শিকদারের ছেলে। তিনি একজন প্রবাসী ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *