সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / নিরাপত্তা পরিষদে ফ্রান্সের প্রতিনিধির বক্তব্যের সময় মার্কিন কূটনীতিকেরা বেরিয়ে গেলেন, কারণ কী
নিরাপত্তা পরিষদে ফ্রান্সের প্রতিনিধির বক্তব্যের সময় মার্কিন কূটনীতিকেরা বেরিয়ে গেলেন, কারণ কী

নিরাপত্তা পরিষদে ফ্রান্সের প্রতিনিধির বক্তব্যের সময় মার্কিন কূটনীতিকেরা বেরিয়ে গেলেন, কারণ কী

ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে গতকাল সোমবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ফ্রান্সের প্রতিনিধি বক্তব্য দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকেরা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যান।

সোমবারের এই ঘটনার দুই দিন আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার–বিষয়ক প্রধান ফলকার টুর্কের চার বছরের মেয়াদ নবায়নের প্রস্তাবে ওয়াশিংটনের ভোট না দেওয়াকে ঘিরে মার্কিন ও ফরাসি কর্মকর্তাদের মধ্যে অনলাইনে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল।

জেনেভায় ফ্রান্সের জাতিসংঘ মিশন গত শনিবার লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র আর ‘মানবাধিকারের আলোকবর্তিকা’ নেই এবং তারা (আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে) বিচ্ছিন্ন হয়ে উত্তর কোরিয়া, নিকারাগুয়া, মালি ও রাশিয়ার সঙ্গে এক কাতারে দাঁড়িয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এর জবাব দিতে গিয়ে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়ালৎস বলেন, ফ্রান্স এমন এক মানবাধিকার প্রধানকে ভোট দিয়েছে, যিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েলের মতো স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে জ্ঞান দিচ্ছেন, অথচ বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট নিপীড়নকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখছেন।

বৈঠক বর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিকল্প প্রতিনিধি ড্যান নেগ্রিয়া কাউন্সিলকে বলেন, ফ্রান্স তাদের ‘অবজ্ঞাপূর্ণ ও অসম্মানজনক বক্তব্য’ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তাঁদের প্রতিনিধিদল এভাবে বৈঠক থেকে বেরিয়ে যেতে থাকবে।

জাতিসংঘে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জেরোম বোনাফোঁ বক্তব্য দেওয়ার সময় বৈঠক বর্জনের বিষয়টি উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন, ফ্রান্স জাতিসংঘের স্বাধীনতা এবং কার্যকরভাবে কাজ করার সক্ষমতা বজায় রাখতে কাজ করছে।

ফিলিস্তিন ও ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের সমালোচনা করে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরাগভাজন হয়েছেন ফলকার টুর্ক। তাঁর মেয়াদ নবায়ন করা নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভোটে ১৪৪টি দেশ এর পক্ষে এবং মাত্র ১০টি দেশ বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। ১৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

ফলকার টুর্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সাল থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন কমিয়েছেন এবং জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলকার টুর্কের মেয়াদ পুনর্নবায়নকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ও সম্পৃক্ততা পুনর্মূল্যায়নের হুমকিও দিয়েছিল।

ওয়াশিংটন ও প্যারিসের মধ্যে ন্যাটোর ব্যয়, বাণিজ্য নীতি এবং ট্রাম্পের ডেনমার্কের অধীন ন্যাটো সদস্যভুক্ত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি নিয়েও বিরোধ রয়েছে।

ফ্রান্সসহ অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনে সরাসরি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ট্রাম্পের ক্ষোভের মুখে পড়েছে।

About Editor Todaynews24

Check Also

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভনিং এমবিএতে ভর্তির সুযোগ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে ইভনিং এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ব্যাচে ভর্তি চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *