নতুন বাড়ি বা ফ্ল্যাটে উঠছেন, কিন্তু রান্নাঘর নিয়ে খুঁতখুঁতে ভাব কাটছে না? আবার নিজের ভাবনায় যে রং ও নকশা, সেটা কাউকে বোঝাতেও পারছেন না? আপনি বরং এই ছবিগুলো দেখুন। পছন্দ হলে এভাবেই তৈরি করতে পারেন আপনার স্বপ্নের রান্নাঘর।
যেন গল্পের বই থেকে তুলে আনা রান্নাঘর। সবুজের নানা শেডে ঘরে যেন প্রশান্তির পরশ। ভিনটেজ ধাঁচের অলংকরণ ও রূপকথার দুর্গ থেকে অনুপ্রাণিত ছাদের কারুকাজ, সব মিলিয়ে জায়গাটি স্বপ্নীল। বিশেষভাবে নজর কাড়ে সিরামিক পিচ রঙের পেনডেন্ট লাইটগুলো। বাটি বা প্লেটের আদলে তৈরি ঢাকনাওয়ালা আলোকসজ্জা রান্নাঘরটিকে আরও আধুনিক করেছে।যাঁদের ওপেন কিচেনের প্রতি দুর্বলতা আছে, তাঁরা এমন রান্নাঘর বেছে নিতে পারেন। রান্নাঘরে কালচে রং ব্যবহারে ময়লা বোঝা যায় কম। এ ছাড়া সামনের দিকে এমন মার্বেলের কাউন্টার থাকলে রান্নার পর খাবার পরিবেশনেও সুবিধা।বাড়িটির স্বামী-স্ত্রী দুজনের পছন্দ দুই রকম। স্ত্রী চেয়েছিলেন কাঠের ব্যবহার ও ঐতিহ্যবাহী নকশা; স্বামীর পছন্দ ছিল আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সরল নকশা। এই দুই ভিন্ন রুচিকে সহবস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে এই রান্নাঘরে। ব্যবহৃত রংগুলো গাঢ় ও প্রাণবন্ত। নেভি, ফরেস্ট গ্রিন ও মিডনাইট ব্লুর ছোঁয়া বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়।ছোট রান্নাঘরের ক্ষেত্রে নিচের ক্যাবিনেট গাঢ় রঙের এবং ওপরের ক্যাবিনেট হালকা রঙের রাখলে জায়গাটি তুলনামূলকভাবে আরও প্রশস্ত দেখায়। বাদামি, ধূসর এবং সাদার হালকা ছোঁয়ার সমন্বয় রান্নাঘরে এনে দিয়েছে মার্জিত আবহ। ধূসর রঙের ক্যাবিনেট স্টেইনলেস স্টিলের গৃহস্থালি যন্ত্রপাতির সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। বাংলাদেশি অধিকাংশ পরিবারের রান্না ও খাবারের ধরন হিসেবে এমন রান্নাঘর হতে পারে আদর্শ।ডাবল-হাইট নকশার কারণে রান্নাঘর লাগোয়া ডাইনিং স্পেসটুকু আরও উন্মুক্ত ও প্রশস্ত মনে হয়। রান্নাঘরে কাঠ, সাদা রং ও ফুলের নকশার জালির (জালি) ফাঁক দিয়ে বাইরের আলো ভেতরে প্রবেশ করে। শহুরে ছোট পরিবারের জন্য এমন ছিমছাম রান্নাঘর হতে পারে কেজো।রান্নাঘর লাগোয়া ব্রেকফাস্ট টেবিল। দিনের শুরুতে স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন দৃঢ় করার জন্য এই ছোট্ট জায়গা হয়ে উঠতে পারে অনুঘটক। রান্নাঘরের একঘেয়ে ভাব দূর করেছে মেঝেতে থাকা মনোক্রম নকশা।শ্রীলঙ্কার নতুন স্থাপত্য ধারার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত স্থপতি পালিন্দা কান্নাঙ্গারার বাসার রান্নাঘর এটা। তাঁর বাড়ির প্রধান আকর্ষণ ঘন সবুজে ঘেরা। কান্নাঙ্গারা বলেন, ‘আমি এই বাড়ি এমনভাবে বানিয়েছি, যাতে প্রাকৃতিক দৃশ্যটাই সবচেয়ে সুন্দরভাবে ধরা পড়ে।’বাড়িটির রান্নাঘর ও ডাইনিং স্পেস থেকে একদিকে দেখা যায় ছাদের বাগান, জলাভূমি অন্যদিকে শহরের দিগন্তরেখা।রাস্টিক ধাঁচের রান্নাঘর অনেকের কাছেই বিশেষ আকর্ষণীয়। এই রান্নাঘরের স্লেট-নীল রং কি আপনাকে গ্রামের বাড়ির শান্ত পরিবেশের কথা মনে করিয়ে দেয় না? মেঝের সাদা-কালো চেকার্ড টাইল পুরো নকশার সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে গেছে। সেই সঙ্গে জায়গাটির একঘেয়েমিও ভেঙে দিয়েছে। রান্নাঘর যেহেতু সব সময় আর্দ্র থাকে, তাই দেয়ালে ব্যবহার করা হয়েছে সাদা কোয়ার্টজ। এটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ, টেকসইও।
‘এটি শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় আমাদের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপের একটি অংশ। আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ যারা নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’