জুন-জুলাইয়ে পুরো ফুটবল বিশ্বকে চুম্বকের মতো টেনে রেখেছিল বিশ্বকাপ। ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৬ বছর পর আবার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের আবার মাঠে দেখতে খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বরই আবার স্পেনের জার্সিতে খেলতে নামবেন ইয়ামাল-রদ্রিরা। উয়েফা নেশনস লিগে সেই ম্যাচে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সামনে বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ড।
শুধু স্পেন নয়, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশই আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে ম্যাচ খেলবে। এ সময় একটি দল সর্বোচ্চ চারটি ম্যাচ খেলতে পারবে। স্প্যানিশরা চারটি ম্যাচ খেলবে, সবগুলো ম্যাচই নেশনস লিগের। ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নিশ্চিত করেছে, এই উইন্ডোতে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। যার শেষটি কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে। মেসির আর্জেন্টিনা কয়টি ম্যাচ খেলবে, কাদের বিপক্ষে খেলবে, সেটি অবশ্য এখনো জানা যায়নি।
বাংলাদেশ সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ম্যাচ খেলবে কি না, এখনো নিশ্চিত নয়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এ সময় দেশের মাটিতে চার জাতি একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনে চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলা নিশ্চিত। ঘরের মাঠের টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের গ্রুপে আছে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা।
সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের পর নভেম্বরেই আবার আন্তর্জাতিক বিরতি। ৯ থেকে ১৭ নভেম্বরের সেই বিরতিতে সর্বোচ্চ দুটি ম্যাচ খেলতে পারবে দলগুলো। পরের দুটি উইন্ডো আগামী মার্চ ও জুনে।
উইন্ডোর বাইরেও ব্যস্ত থাকবে অনেক দেশ। আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরবে হবে এশিয়ান কাপ। জুন-জুলাইয়ে হবে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস ও কনক্যাকাফ গোল্ড কাপের মতো দুটি মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট। ২০৩০ বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বও শুরু হয়ে যেতে পারে ২০২৭ সালেই।
আন্তর্জাতিক ফুটবল: কোন দলের সামনে কারা
আর্জেন্টিনা
এখনো প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত হয়নি।
ব্রাজিল
২৫ সেপ্টেম্বর—অস্ট্রেলিয়া (টাউনসভিল), ২৯ সেপ্টেম্বর—অস্ট্রেলিয়া (ব্রিসবেন), ৩ অক্টোবর—ভারত (কলকাতা)
স্পেন
২৬ সেপ্টেম্বর—ইংল্যান্ড (লন্ডন), ২৯ সেপ্টেম্বর—ক্রোয়েশিয়া (সেভিয়া), ৩ অক্টোবর—চেক প্রজাতন্ত্র (ওভিয়েদো), ৬ অক্টোবর—ক্রোয়েশিয়া (স্প্লিত), ১২ নভেম্বর—চেক প্রজাতন্ত্র (প্রাগ), ১৫ নভেম্বর—ইংল্যান্ড (ঠিক হয়নি)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।
ইংল্যান্ড
২৬ সেপ্টেম্বর—স্পেন (লন্ডন), ২৯ সেপ্টেম্বর—চেক প্রজাতন্ত্র (প্রাগ), ৩ অক্টোবর—ক্রোয়েশিয়া (রিয়েকা), ৬ অক্টোবর—চেক প্রজাতন্ত্র (লন্ডন), ১২ নভেম্বর—ক্রোয়েশিয়া (লন্ডন), ১৫ নভেম্বর—স্পেন (ঠিক হয়নি)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।
ফ্রান্স
২৫ সেপ্টেম্বর—তুরস্ক (ইজমিত), ২৮ সেপ্টেম্বর—বেলজিয়াম (ব্রাসেলস), ২ অক্টোবর—ইতালি (প্যারিস), ৫ অক্টোবর—বেলজিয়াম (প্যারিস), ১২ নভেম্বর—ইতালি (মিলান), ১৫ নভেম্বর—তুরস্ক (বোর্দো)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।
পর্তুগাল
২৪ সেপ্টেম্বর—ওয়েলস (লিসবন), ২৭ সেপ্টেম্বর—নরওয়ে (অসলো), ১ অক্টোবর—ডেনমার্ক (কোপেনহেগেন), ৪ অক্টোবর—নরওয়ে (প্রাগ), ১৪ নভেম্বর—ডেনমার্ক (ঠিক হয়নি), ১৭ নভেম্বর—ওয়েলস (কার্ডিফ)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।
জার্মানি
২৪ সেপ্টেম্বর—নেদারল্যান্ডস (আমস্টারডাম), ২৭ সেপ্টেম্বর—গ্রিস (অগসবুর্গ), ১ অক্টোবর—সার্বিয়া (মিউনিখ), ৪ অক্টোবর—গ্রিস (থেসালোনিকি), ১৩ নভেম্বর—সার্বিয়া (বেলগ্রেড), ১৬ নভেম্বর—নেদারল্যান্ডস (বার্লিন)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।
নেদারল্যান্ডস
২৪ সেপ্টেম্বর—জার্মানি (আমস্টারডাম), ২৭ সেপ্টেম্বর—সার্বিয়া (বেলগ্রেড), ১ অক্টোবর—গ্রিস (থেসালোনিকি), ৪ অক্টোবর—সার্বিয়া (আইন্দহফেন), ১৩ নভেম্বর—গ্রিস (আমস্টারডাম), ১৬ নভেম্বর—জার্মানি (বার্লিন)।*সবগুলো ম্যাচই উয়েফা নেশনস লিগের।