দীর্ঘ ৭ মাস পরে ক্রিকেটে ফিরে প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ঝড় তুলেছেন তামিম ইকবাল। জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) টি-টোয়েন্টিতে সিলেট বিভাগের বিপক্ষে ৩৩ বলে ৬৫ রান করেছেন চট্টগ্রামের তামিম। পরে ব্যাট করতে নেমে তার চেয়েও বিস্ফোরক ছিলেন সিলেটের তৌফিক খান তুষার। তবে ৩৬ বলে তার ৭৬ রানের টর্নেডো ইনিংসের পরও হারল সিলেট।
সিলেটে আজ বৃহস্পতিবার এনসিএল টি-টোয়েন্টির দ্বিতীয় দিনে মুখোমুখি হয় চট্টগ্রাম ও সিলেট। দেরিতে খেলা শুরু হওয়ায় আজ খেলা নেমে আসে ১৫ ওভারে। তামিম ছাড়া চট্টগ্রামের অন্য কেউ ব্যাট হাতে তেমন সুবিধা করতে পারেননি। প্রথম ১০ ওভারে এক শ পার করা দলটি শেষ পর্যন্ত ১৫ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে করেছে ১৪৫ রান।
তামিমের পর দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেছেন আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। ১৭ বলে এই রান করেছেন তিনি।
এছাড়া ১২ বলে ১৫ রান করেছেন সাব্বির শিকদার। দলের অন্য কেউ দুই অঙ্কের রানও স্পর্শ করতে পারেননি। তাতে ১৪৫ রানেই থামে চট্টগ্রাম। ৩ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করে সিলেটের সফলতম বোলার খালেদ আহমেদ। সমান ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নিয়েছেন তোফায়েল। ২ উইকেট নিলেও আরেক পেসার আবু জায়েদ রাহিকে ৩ ওভারে খরচ করতে হয়েছে ৩৫ রান।
জবাব দিতে নেমে তৌফিক খান তুষারের বিস্ফোরক অর্ধশতক সত্ত্বেও ১৪.২ ওভারে ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায় সিলেট। প্রথম ম্যাচে হারের পর দলটি দ্বিতীয় ম্যাচে হার দেখে ১২ রানে। সিলেট প্রথম ৭ রান তুলতেই হারায় দুই উইকেট।
সুবিধা করতে পারেননি প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান চৌধুরী জিশান আলম ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রানের বন্যা বইয়ে দেওয়া অমিত হাসান। ১৪ রানের মাথায় আসাদুল্লাহ গালিবকেও হারায় সিলেট।
এরপর ওয়াসিফ আকবরের সঙ্গে ৪২ বলে ৭৯ রানের জুটি গড়েন ওপেনার তুষার। যেকানে আকবরের অবদান ১৭ বলে মাত্র ১৩ রান। এরপর ফিরে যান সিলেট অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান রাব্বিও। তাতেও থামেনি তুষারের ব্যাট। তবে একাদশ ওভারে তুষারকে ফেরান নাঈম। থামে ৩৬ বলে ২১১.১১ স্ট্রাইকরেটে ৭৬ রানের ইনিংস। এই রান করতে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা হাঁকান তিনি। এরপর তোফায়েল আহমেদের ১১ বলে ১৪ ছাড়া কেউই দাঁড়াতে পারেননি। তাতে ১৩৩ রানেই থামে সিলেট।