Home / সকল আপডেট / হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনদের সংগ্রাম
হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনদের সংগ্রাম

হামে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে স্বজনদের সংগ্রাম

দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে প্রতিদিনই ভিড় করছেন আক্রান্ত শিশু। স্বজনেরা কেউ কোলে করে অসুস্থ শিশুকে নিয়ে ছুটে এসেছেন, কেউ হাসপাতালের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায়, আবার কেউ ভর্তি নিশ্চিত করতে দৌড়াচ্ছেন এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে।  

হামে আক্রান্ত সাত বছরের শিশু কাফিয়া আক্তারকে কোলে করে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে নিয়ে আসছেন তার বাবা। ১৩ দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর উন্নত চিকিৎসার আশায় তাঁকে এখানে আনা হয়।
হাসপাতালে আনার পর কাফিয়াকে প্রথমে ভর্তি না রেখে চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু মেয়ের অবস্থা দেখে মানতে পারছিলেন না মা–বাবা। একপর্যায়ে তাঁরা হাসপাতালের সামনের সড়কে বসে থাকেন।
পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের পর শিশুটিকে ভর্তি করানো হয়। ভর্তির আগে হাসপাতালের চেয়ারে মায়ের কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকা কাফিয়া।
হামে আক্রান্ত চার বছরের শিশু আয়েশাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছেন তার স্বজনেরা। নানির কোলে থাকা আয়েশাকে দেওয়া হচ্ছে চোখের ওষুধ।
আয়েশাকে চিকিৎসা দিয়ে বাসায় চলে যেতে বলেন চিকিৎসক। এরপর আয়েশাকে তোয়ালে দিয়ে মুড়িয়ে আশুলিয়ার উদ্দেশে সিএনজিচালিত অটোরিকশা খুঁজছেন তার বাবা।
হামে আক্রান্ত ৯ মাসের শিশু হিমেলের অবস্থার অবনতি হওয়ায় অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে নেয়াখালী থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় আনা হয়েছে।
হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসার জন্য মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন তার মা–বাবা।
হামে আক্রান্ত সাত বছরের শিশু আব্দুল্লাহকে বাইরের একটি হাসপাতাল থেকে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন তার মা। লিফটের অপেক্ষায় হাসপাতালের আসনে হেলান দিয়ে বসে আছে শিশুটি।
হামে আক্রান্ত শিশুকে কোলে নিয়ে মহাখালীর ডিএনসিসি কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতালে প্রবেশ করছেন এক মা। সঙ্গে রয়েছেন স্বজনেরা।
কয়েক দিন ধরে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুটি চিকিৎসাধীন। এখন একটু সুস্থ হওয়ায় বাবার সঙ্গে নিচে নেমে হাঁটাহাটি করে। পরে ওপরে উঠতে ইচ্ছা না করায় নিচে বারান্দায় বসে থাকে। বাবা তখন তার জন্য ডাবের পানি নিয়ে আসে।

About Editor Todaynews24

Check Also

সংসারে সাশ্রয়ের চেষ্টা, শেষ হলো দেয়ালধসে মৃত্যুতে

সংসারে সাশ্রয়ের চেষ্টা, শেষ হলো দেয়ালধসে মৃত্যুতে

রাজধানীর ইউসেপ মিরপুর টেকনিক্যাল স্কুলের পরিচ্ছন্নতার কাজ করতেন নাসিমা বেগম (৪৪)। যা বেতন পেতেন, তা দিয়ে তাঁর ছোট মেয়ের লেখাপড়ার খরচ জোগানোসহ সংসার চালাতে কষ্ট হতো। একটু সাশ্রয়ের আশায় টিসিবির পণ্য কিনতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে পণ্য নিয়ে বাসায় ফেরা হয়নি তাঁর। দেয়ালধসে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় প্রাণ গেছে আরও একজনের।আজ মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *