বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর ব্রাজিল জাতীয় দল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন নেইমার। ম্যাচ শেষে ব্রাজিলের এ তারকা বলেছিলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখন সব শেষ। এখানে আমার শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো।’
সেটা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি স্টেডিয়াম, যেখানে ২০১০ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। ৩৪ বছর বয়সী এ তারকা তখন স্পষ্ট করে কিছু না বলায় সমর্থকদের মনে হয়তো একটু ক্ষীণ আশা থেকে গিয়েছিল। হয়তো ব্রাজিলের হয়ে আবার দেখা যাবে নেইমারকে!
না, নেইমার নিজেই সেই আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন। আজ কোপা সুদামেরিকানার নকআউট প্লে–অফে ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪–২ গোলে জয়ের পর এ নিয়ে কথা বলেন নেইমার। সেটার অবশ্য একটু পটভূমি আছে।
সাও পাওলোয় খেলা ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার লুকাস মউরা সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্তে রেকর্ড’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ‘আশা’ প্রকাশ করেছিলেন, নেইমার ২০৩০ বিশ্বকাপেও খেলবেন। সান্তোসের ম্যাচ শেষে এ নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল নেইমারের কাছে।
!!! ❌
"Mon histoire avec la sélection brésilienne est terminée !
Je me suis toujours battu pour défendre les couleurs de ce maillot. Mais je ne veux plus jouer."pic.twitter.com/hAxYSkHoC1
— Instant Foot ⚽️ (@lnstantFoot) July 29, 2026
মিক্সড জোনে দাঁড়িয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে সর্বোচ্চ এই গোলদাতা বলেন, ‘মউরাকে ধন্যবাদ। কিন্তু এটা ঘটবে না। জাতীয় দলে আমার সময় শেষ হয়েছে। ইতিহাস গড়েছি, সুখী ছিলাম। নিজের জীবন, রক্ত—সবই দিয়েছি। হলুদ জার্সিতে সব সময় লড়াই করেছি। কিন্তু এখন আর এসব চাই না।’
সান্তোসের এই ম্যাচে ৪৫ মিনিটে নেইমার বদলি হয়ে মাঠে নামেন। বেশ ভালোই খেলেছেন বলে জানিয়েছে ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম। দেশের হয়ে ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করা নেইমারের হলুদ জার্সিতে শেষ গোলটিও বিশ্বকাপেই, নরওয়ের বিপক্ষে ২–১ গোলে হারের ম্যাচে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে।