সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / জাপানি সংস্কৃতিতে ভালোবাসার ৭টি মানে জেনে নিন
জাপানি সংস্কৃতিতে ভালোবাসার ৭টি মানে জেনে নিন

জাপানি সংস্কৃতিতে ভালোবাসার ৭টি মানে জেনে নিন

ভালোবাসা মানে কি কেবল মানুষটাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার ইচ্ছা? জাপানি দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোবাসা কেবল রোমান্টিক অনুভূতি আর তাঁকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়ার বিষয় নয়। এমনও তো হতে পারে, ভালোবাসার মানুষটি আপনার জীবনে এসেছিল একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, আপনাকে কিছু সুন্দর স্মৃতি আর অনুভব উপহার দিতে। তিনি হয়তো আপনার জীবনের যাত্রাপথের একটা নির্দিষ্ট দূরত্বের সফরসঙ্গী। চট করে পরিচিত হওয়া যাক জাপানি সংস্কৃতিতে ভালোবাসা সম্পর্কিত কিছু ধারণার সঙ্গে।

১. নিনতাই (ধৈর্য ও সহনশীলতা)

ভালোবাসা শুধু আবেগ নয়। এটি ধৈর্যের পরীক্ষাও বটে। সম্পর্কে মতভেদ, কঠিন সময়, চ্যালেঞ্জ বা অপূর্ণতা এলে তা সহনশীলতার সঙ্গে সহ্য করাও ভালোবাসার পরীক্ষা। এভাবে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতাকে নিনতাই বলা হয়।

২. ওমোইয়ারি (সহমর্মিতা ও বিবেচনাবোধ)

সহমর্মিতা জাপানি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ

এটি জাপানি সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ। এর অর্থ হলো, অন্যজন কিছু বলার আগেই তার অনুভূতি ও প্রয়োজন বোঝার চেষ্টা করা। আর সেই অনুযায়ী যত্ন নেওয়া।

৩. ইচিগো ইচিয়ে (প্রতিটি মুহূর্ত একবারই আসে)

শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ‘এক জীবন, এক সাক্ষাৎ’। অর্থাৎ প্রতিটি দেখা, প্রতিটি কথোপকথন ও প্রতিটি মুহূর্ত অনন্য। তাই প্রিয় মানুষের সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তকে মূল্য দিতে শেখায় এই দর্শন।

৪. ওয়া (সম্প্রীতি ও ভারসাম্য)

সম্পর্কে অহেতুক সংঘাত বাড়ানোর বদলে শান্তিপূর্ণ সমাধানকে গুরুত্ব দেওয়া। সম্পর্কের মাঝখান থেকে ‘ইগো’ সরিয়ে প্রয়োজনে নিজে হেরে সম্পর্ককে জেতানো।

৫. মিমামরু (নীরবে পাশে থাকা)

নীরবে পাশে থাকাও ভালোবাসার অংশ

মিমামরু মানে অন্যকে নিয়ন্ত্রণ না করে নীরবে পাশে থাকা। তাঁকে তাঁর মতো করে মেনে নেওয়া ও বেড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া।

৬. আমায়ে (নিরাপদ নির্ভরতা)

প্রিয় মানুষের কাছে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করতে পারা। আবেগগতভাবে হালকা হওয়া। তাঁর স্নেহ মানসিক ভার কমিয়ে দিতে পারে, সেই ভরসা রাখা।

৭. ইন (নিয়তির সম্পর্ক)

ইন মানে এই নয় যে সম্পর্ক টিকে থাকবে নিশ্চিতভাবেই। বরং এই দর্শন বলে, আপনার জীবনে মানুষটি কেন এসেছিলেন, সেই অভিজ্ঞতারও একটি অর্থ আছে। সেটিকে সহজভাবে গ্রহণ করা।

ইনের আরেক অর্থ হলো, জোর করে কোনো সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার বা টেনে নেওয়ার চেষ্টা না করা। সেটা যদি প্রাকৃতিকভাবে একটা নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে আর না এগোয়, সেখানেই সেটিকে সর্বোচ্চ উদারতা আর সম্মানের সঙ্গে শেষ করা। পুরো বিষয়টাকে সহজভাবে নিয়ে, অন্যজনের প্রতি সম্মান রেখে জীবনে এগিয়ে যাওয়া।

সূত্র: সাসুকি জাপানিজের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে

About Editor Todaynews24

Check Also

স্কুল থেকে ফিরে ছোট্ট হাসিন দেখে মেঝেতে মায়ের মরদেহ

স্কুল থেকে ফিরে ছোট্ট হাসিন দেখে মেঝেতে মায়ের মরদেহ

বেলা তিনটার দিকে ছোট মেয়ে হাসিন ওয়ামি (১০) স্কুল ছুটি শেষে বাসায় ফিরে দেখে দরজা খোলা। তার মা শোবার ঘরের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *