সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / খুলনার আমতলা নদীতে থাকা বাঁশের বেড়া সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ
খুলনার আমতলা নদীতে থাকা বাঁশের বেড়া সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

খুলনার আমতলা নদীতে থাকা বাঁশের বেড়া সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের আমতলা নদীর ভেতরে থাকা বাঁশের বেড়া সাত দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তাজরুল হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন। খুলনার জেলা প্রশাসক ও বটিয়াঘাটার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিবাদীদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে হবে।

এক লাখ টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে এই নদী’ শিরোনামে ২৫ জুলাই প্রথম আলোতে প্রতিবেদন ছাপা হয়। প্রতিবেদনটি যুক্ত করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে দুই আইনজীবী আজ রিট আবেদনটি করেন।

রুলে বাঁশের বেড়া দিয়ে নদী দখল বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না এবং নদীর মধ্যে দেওয়া বাঁশের বেড়া অপসারণের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবেশসচিব, ভূমিসচিব, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও খুলনার জেলা প্রশাসকসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, তাঁকে সহায়তা করেন আইনজীবী সঞ্জয় মন্ডল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ জীসান হায়দার।

পরে মনজিল মোরসেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিবেশ আইন এবং নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে নদীর অভ্যন্তরে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বা চলাচল বাধাগ্রস্ত করার কোনো সুযোগ নেই। স্থানীয় প্রশাসন নদীটি ইজারা দিলেও বাঁশের বেড়া দেওয়ার আইনগত অধিকার তাদের নেই, যে কারণে রিটটি করা হয়।’

মনজিল মোরসেদ জানান, আমতলা নদীর ভেতরে থাকা বাঁশের বেড়া সাত দিনের মধ্যে অপসারণ করতে খুলনার জেলা প্রশাসক ও বটিয়াঘাটার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পাঁচ বিবাদীর প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নির্দেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। আগামী ২০ আগস্ট পরবর্তী আদেশের জন্য দিন রাখা হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে আমতলা নদী ১ লাখ ১০ হাজার টাকায় ইজারা দিয়ে দেয় খুলনা জেলা প্রশাসন। ইজারাদারেরা নদীতে আড়াআড়ি বাঁশের বেড়া দিয়ে জাল পাতায় এ নদীতে স্থানীয় লোকজনের মাছ ধরা, পানির ব্যবহার কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। নদীতে বদ্ধ জলাশয় দেখিয়ে এই ইজারা দেওয়া হয়েছিল।

প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় প্রশাসন তৎপর হয়। গত শনিবার অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ হাজার মিটার নেটপাটা ও চায়না দুয়ারি জাল অপসারণ করে উপজেলা প্রশাসন।

About Editor Todaynews24

Check Also

গ্যাস–সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান

গ্যাস–সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন তারেক রহমান

জাপানের কুমামোতোতে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে বিপণিবিতান ধসে অনেকে আটকা পড়েছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *