বিদ্রোহীদের মাত্র ১২ দিনের ঝড়ো হামলায় পতন হলো আসাদ সরকারের ২৪ বছরের শাসনামলের। বিদ্রোহী গোষ্ঠী তাহরির আল শামের সামনে ধোপে টিকলো না বাশার আল-আসাদের সেনাবহর। অপ্রতিরোধ্য এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দলনেতা আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি এই বিজয়কে সিরিয়াবাসীকে উৎসর্গ করেছেন।
হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) নেতৃত্বে আন্দোলনের ফলে চলতি মাসের প্রথম দিকে বাশার সরকারের পতন ঘটে। এরপর এটিই ছিল মার্কিন কূটনীতিকদের প্রথম সিরিয়া সফর।
যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে এইচটিএসকে ‘সন্ত্রাসী’ সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করে। এই গ্রুপের নেতা আল-জোলানি এক সময় আল-কায়েদার সাথে সম্পর্কিত ছিলেন।
শুক্রবার আলোচনায় ‘ইতিবাচক বার্তা’ পাওয়ার পর কূটনীতিবিদ লিফ আল-শারাকে গ্রেফতারের জন্য ঘোষিত পুরস্কার প্রত্যাহারের কথা জানান। এইচটিএস যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তার মধ্যে একটি হলো তারা কোনো হুমকি সৃষ্টি করবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা সিরিয়ান-নেতৃত্বাধীন এবং সিরিয়ান-মালিকানাধীন রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে পুরোপুরি সমর্থন করি, যার ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল সরকার আসবে, নারীসহ সকল সিরিয়ান, সিরিয়ার বৈচিত্র্যপূর্ণ জাতিগত ও ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলোর অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শিত হবে।’
এদিকে পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক সিরিয়ান কর্মকর্তা এর আগে এএফপিকে নিশ্চিত করেন যে আল-শারার সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদল বৈঠক করেছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বৈঠকটি হয়েছে এবং তা ইতিবাচক। আল্লাহ চাহে তো ফলাফল হবে ইতিবাচক।’ সূত্র : আল জাজিরা ও টাইমস অব ইসরাইল