সর্বশেষ খবর
Home / World / Sports / শিরোপা জিতলে খেলোয়াড়েরা জাল কাটেন কেন?
শিরোপা জিতলে খেলোয়াড়েরা জাল কাটেন কেন?

শিরোপা জিতলে খেলোয়াড়েরা জাল কাটেন কেন?

দৃশ্যটা নিশ্চয় চোখে পড়েছে। দলের খেলোয়াড়েরা যখন বিশ্বকাপ শিরোপা নিয়ে ব্যস্ত, ছবি তুলছে পরিবারের সঙ্গে, তখনই কাঁচি নিয়ে গোলপোস্টের জাল কাটছেন কয়েকজন খেলোয়াড়। ভাবতে পারো বাড়িতে কি ফুটবল জালের অভাব আছে নাকি? নইলে এভাবে গোলবারের ওপরে উঠে, ঝুলে জাল কাটছে কেন? কেন শিরোপা জেতার পর এভাবে জাল কেটে নিয়ে যান খেলোয়াড়েরা?

শুধু বিশ্বকাপ নয়, যেকোনো বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জেতার পর এমন দৃশ্য বেশ স্বাভাবিক। ক্রিকেটে যেমন খেলোয়াড়েরা পিচ থেকে স্ট্যাম্প খুলে নিয়ে যান, তেমনই ফুটবলাররা কেটে নিয়ে যান গোলপোস্টের জাল।

এটা অনেকটা স্মৃতি নিয়ে যাওয়ার মতো। কোথাও ঘুরতে গেলে যেমন তুমি একটা ছবি তোলার চেষ্টা করো, ওই জায়গা থেকে কিছু একটা নিয়ে আসো। যাতে দারুণ জায়গাটায় ঘুরতে যাওয়ার কথা তোমার বারবার মনে পড়ে। খেলোয়াড়েরাও সেটাই করেন।

জাল কাটতে গোলবারের ওপর উঠে পড়েছিলেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক দাভিদ রায়া।

বিশ্বকাপ জেতার আনন্দ তো আছেই, ছোট্ট একটা শিরোপাও ঘরে নিয়ে যেতে পারবে তারা। কিন্তু যে জালে গোল করে বিশ্বকাপ জিতেছেন, সেটা সঙ্গে নিয়ে যেতে চান অনেকেই। তাই তো গোলপোস্টের জাল কেটে নিজের কাছে রেখে দেন খেলোয়াড়েরা।

ফুটবল মাঠে গোলপোস্টের জাল কাটার ঐতিহ্য কিন্তু বেশি দিন আগের নয়। মজার ব্যাপার হলো এর সঙ্গে জড়িয়ে আছেন একজন স্প্যানিশের নাম। ২০১১ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারানোর পর এমন উদ্‌যাপন করেন বার্সেলোনার ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকে। সেদিন জাল খুলে গায়ে জড়িয়ে ঘুরতে থাকেন তিনি।

এরপর থেকে বার্সেলোনা বা স্পেনের হয়ে কোনো বড় ট্রফি জিতলেই পিকে সোজা চলে যেতেন গোলবারের কাছে। কাঁচি দিয়ে জাল কেটে নিয়ে যেতেন বাড়ি। তাঁর দেখাদেখি একই উদ্‌যাপন শুরু করেন স্প্যানিশ সতীর্থ সার্জিও রামোস। এরপর থেকে সবাই শুরু করেন এই উদ্‌যাপন। এখন শিরোপা জেতার পর এটি যেন উদ্‌যাপনের ট্রেন্ড।

এই উদ্‌যাপন শুরু করেছিলেন জেরার্ড পিকে।

ভাবো তো, যে গোলপোস্টে বল জড়িয়ে ইতিহাস গড়া হলো, সেই জালের একটা অংশ যদি তোমার ঘরে থাকে—কেমন লাগবে? যখনই দেখবে, তখনই মনে পড়বে ইতিহাস গড়ার কথা, নিজের অর্জনের কথা। এমন উদ্‌যাপনে সঙ্গী হতে তাই দোষ কী?

About Editor Todaynews24

Check Also

ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে এগিয়ে কারা

ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে এগিয়ে কারা

২০২৫–২৬ মৌসুমের ব্যালন ডি’অরের প্রতিযোগিতা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই। বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের একাধিক তারকা, আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তোলা লিওনেল মেসি, ধারাবাহিক হ্যারি কেইন, দুর্দান্ত এমবাপ্পে এবং গোলমেশিন আর্লিং হলান্ড—প্রত্যেকেই নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে এই লড়াইকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন। যার ফলে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ব্যালন ডি’অর লড়াই তৈরি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *