জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ২০২৫ সালে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের কারণে, বিশেষ করে স্পিড লিমিট অতিক্রম এবং রেড লাইট অমান্য করার ঘটনায় সরকার প্রায় ৩৮ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা আদায় করেছে। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ইউরো প্রায় ১৪৪.৫ টাকা) অনুযায়ী, এর পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা।
অবাক করার বিষয় হলো, এই রাজস্ব এসেছে পুরো জার্মানি থেকে নয়; শুধু বার্লিন শহর থেকেই। শহরজুড়ে প্রায় ৭০টি স্থায়ী (Fixed) স্পিড ক্যামেরা এবং প্রায় ৮০টি মোবাইল ক্যামেরা ব্যবহার করে ট্রাফিক আইন বাস্তবায়ন করা হয়।
জার্মানিতে এসব ক্যামেরার মূল উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায় নয়; বরং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দুর্ঘটনা কমানো এবং চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করা। তবে আইন ভঙ্গকারীদের কাছ থেকে আদায় হওয়া জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com
বিশ্বের অনেক দেশেই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ক্যামেরা ব্যবস্থার মাধ্যমে আইন প্রয়োগ করা হয়। বাংলাদেশেও ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানার বিধান রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি আরও বিস্তৃতভাবে কার্যকর করা গেলে একদিকে যেমন সড়ক দুর্ঘটনা কমতে পারে, অন্যদিকে আইন বাস্তবায়নও আরও কার্যকর হতে পারে।