সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / সরকারি হাসপাতালে ৫২% রোগনির্ণয় যন্ত্র থেকেও নেই
সরকারি হাসপাতালে ৫২% রোগনির্ণয় যন্ত্র থেকেও নেই

সরকারি হাসপাতালে ৫২% রোগনির্ণয় যন্ত্র থেকেও নেই

সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রামের মতো রোগনির্ণয়ের (রেডিও ইমেজিং) যন্ত্র থাকলেও সেগুলো নিয়মিত সেবা দিতে পারছে না। জেলা হাসপাতালগুলোতে এমন সেবার প্রাপ্যতা ৮৫ শতাংশ হলেও এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত এক বছরে নিয়মিত সেবা চালু ছিল মাত্র ৩৩ শতাংশ।

জেলা, উপজেলা ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মিলিয়ে ২২টি সরকারি স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানের চিত্র বলছে, রোগনির্ণয় যন্ত্রের ৫২ শতাংশই গত এক বছরে ব্যবহৃতই হয়নি। অন্যদিকে এসব হাসপাতালে জরুরি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মজুতও কম থাকে।

গবেষণাটি করেছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)। গতকাল বুধবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য-ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয়দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক ওই গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করা হয়। সাত সদস্যের গবেষক দলের নেতৃত্ব দেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। এই গবেষণায় অর্থায়ন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট।

২০৩০ সালের মধ্যে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনের লক্ষ্য বাংলাদেশের। এই প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের অর্থ কতটা কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে এবং কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা জানতে গবেষণাটি করা হয়।

৯ মাসব্যাপী দেশের আট বিভাগের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে জরিপ, সাক্ষাৎকার ও নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। এতে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোকে প্রাইমারি, জেলা হাসপাতালগুলোকে সেকেন্ডারি এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে টারশিয়ারি লেভেলে ধরা হয়েছে। টারশিয়ারি লেভেলের মধ্যে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালও আছে। নমুনা কম হওয়ায় গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করেছেন গবেষকেরা।

স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি বড় জায়গা চিকিৎসা যন্ত্রপাতি কেনা ও ব্যবহার। অনেক সময় প্রয়োজন না থাকলেও যন্ত্র কেনা হয়। আবার যন্ত্র নষ্ট হলে নানা অজুহাতে ঠিক সময়ে সেগুলো মেরামত করা হয় না। বিভিন্ন সময়ে করা সরকারের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান জরিপে সারা দেশের সর্বস্তরের হাসপাতালে অকেজো ও নষ্ট যন্ত্রপাতির একটি চিত্র পাওয়া যায়। তার সঙ্গে পিপিআরসির এই গবেষণার কিছুটা মিল আছে।

পিপিআরসির গবেষণায় বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতের সাফল্য শুধু বাজেট বরাদ্দ দিয়ে মূল্যায়ন করলে চলবে না; বরং প্রতিষ্ঠানগুলো তা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যয় করতে পারছে কি না এবং সেই ব্যয় নাগরিকদের জন্য ওষুধ, রোগনির্ণয় সেবা, সচল যন্ত্রপাতি, দক্ষ জনবল ও নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাসেবায় রূপান্তরিত হচ্ছে কি না, সেটিই হওয়া উচিত মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনার অভাবে অনেক দামি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি বছরের পর বছর অব্যবহৃত পড়ে আছে। অনেক হাসপাতালে এক্স-রে ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি থাকলেও সেগুলো চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় টেকনোলজিস্ট নেই। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের কেনাকাটায় দুর্নীতির উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পরিকল্পনা ছাড়া কেনাকাটা এবং দুর্বল বাস্তবায়নের কারণে জনগণের অর্থের অপচয় হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের সমস্যার সমাধানে শুধু নীতিমালা বা গবেষণার সুপারিশ যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন না করে চিকিৎসকেরা যদি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচার করেন, রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সেখানে পাঠান এবং কমিশন নেন, তাহলে যত গবেষণা বা পরামর্শই দেওয়া হোক, মানুষের জন্য ভালো স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

যন্ত্র আছে, সেবা নেই

গবেষণাকালে দেখা গেছে, সব পর্যায়ের হাসপাতালে রোগনির্ণয় যন্ত্রের সেবা পাওয়ার হার ৬৫ শতাংশ। তবে বাস্তবে গত এক বছরে নিয়মিত এমন সেবা পাওয়া গেছে ২৫ শতাংশ। জেলা হাসপাতালগুলোতে কাগজে-কলমে এমন সেবার প্রাপ্যতা সবচেয়ে বেশি, ৮৫ শতাংশ। কিন্তু গত এক বছরে মানুষ নিয়মিত সেবা পেয়েছে ৩৩ শতাংশ।

গবেষণার সময় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগনির্ণয় যন্ত্রের সেবার প্রাপ্যতা ৪৬ শতাংশ হলেও এক বছরে মানুষ নিয়মিত সেবা পেয়েছে ১৭ শতাংশ। একই সময়ের হিসাবে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে এমন সেবার প্রাপ্যতা ছিল ৫৪ শতাংশ। এক বছরের হিসাবে ছিল ২৫ শতাংশ।

সেবা না পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান কারণ হিসেবে গবেষণায় উঠে এসেছে যন্ত্রপাতি অকেজো থাকা। এসব হাসপাতালের ৭৯ শতাংশ ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি অকেজো ছিল। এ ছাড়া অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে ১৪ শতাংশ এবং প্রশিক্ষিত টেকনোলজিস্টের অনুপস্থিতির কারণে ৭ শতাংশ সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের অনুমোদিত ৬ হাজার ৪০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৩ হাজার ৮৯২ জন। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ পদ শূন্য। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূন্য পদের হার ২৭ শতাংশ, জেলা হাসপাতালে ১২ শতাংশ এবং মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে ৩৬ শতাংশ। ফলে অনেক হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী নেই।

অকেজো বা নষ্ট যন্ত্রপাতি নিয়ে মাঝেমধ্যে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারিত হয়। ২০২৩ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনে ঢাকার তিনটি প্রধান হাসপাতালের নষ্ট যন্ত্রপাতি নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। তাতে বলা হয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে ২৩৮টি যন্ত্র নষ্ট ছিল, যেগুলোর আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ১০০ কোটি টাকা। একই বছর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর আরেকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছোট-বড় ৫৩৭টি যন্ত্র নষ্ট। সরকারি হাসপাতালে যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকার কারণে মানুষ সেবাবঞ্চিত হয়। এতে কষ্ট বাড়ে দরিদ্র মানুষের।

জরুরি ওষুধের ঘাটতি

গবেষণায় দেখা গেছে, সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ওষুধের বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে। সেখানে প্রয়োজনের তুলনায় ওষুধের মজুত মাত্র ১২ শতাংশ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ হার ২৩ শতাংশ এবং জেলা হাসপাতালে ২৪ শতাংশ। গত এক বছরের হিসাবেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা গড়ে ২২ শতাংশ।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি হাসপাতালগুলোতে সরবরাহ হওয়া বেশির ভাগ ওষুধ আসে সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) থেকে। তবে প্রয়োজন মেটাতে ৩৩ শতাংশ ওষুধ ইডিসিএলের বাইরে অন্য উৎস থেকে কিনতে হচ্ছে। আরও ৫ শতাংশ ওষুধ আসে অন্যান্য উৎস থেকে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরবরাহে ঘাটতি থাকায় হাসপাতালগুলোকে নিয়মিত বিকল্প উৎসের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে গজ, তুলা, সিরিঞ্জ ও গ্লাভসের মতো নিয়মিত ব্যবহারের সরঞ্জাম বেশির ভাগ হাসপাতালেই রয়েছে। তবে জরুরি চিকিৎসার অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম নেই। প্রায় ৬৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে টুর্নিকেট, ৫৫ শতাংশে ব্যাগ-ভাল্‌ভ-মাস্ক (রিসাসিটেটর) এবং ৪১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে নবজাতকের নাভির ক্ল্যাম্প পাওয়া যায়নি। গবেষকেরা বলছেন, এসব সরঞ্জাম জরুরি ও নবজাতকের চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ল্যাব পরীক্ষার সেবায় বৈষম্য

গবেষণায় দেখা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালগুলোতে ল্যাব পরীক্ষার সেবা তুলনামূলক ভালো। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ল্যাব পরীক্ষার ৮৩ শতাংশ এবং জেলা হাসপাতালে ৯১ শতাংশ সেবা পাওয়া যায়। গত এক বছরেও এসব প্রতিষ্ঠানে ৮১ থেকে ৮৯ শতাংশ সেবা নিয়মিত চালু ছিল।

তবে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে চিত্র ভিন্ন। সেখানে ল্যাব পরীক্ষার প্রাপ্যতা এবং সারা বছর সেবা চালু থাকার হার নেমে এসেছে ৪৩ থেকে ৪৫ শতাংশে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, রিএজেন্টের ঘাটতি, যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকা এবং প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের অভাবে অনেক পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ৪৩ শতাংশ ক্ষেত্রে রিএজেন্টের ঘাটতির কারণে সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ৩৪ শতাংশের কারণ অকেজো যন্ত্রপাতি এবং ১৯ শতাংশের কারণ দক্ষ জনবলের অভাব।

বাজেট পুরোটা খরচ করতে পারছে না

গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জরিপে অন্তর্ভুক্ত সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মোট বাজেটের ৮৫ শতাংশ ব্যয় করেছে। এর মধ্যে জেলা হাসপাতালগুলোতে বাজেট ব্যয়ের হার সবচেয়ে কম, ৭৮ শতাংশ। অর্থবছর শেষে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের বাজেটের কিছু অর্থ অব্যয়িত থেকে গেছে। তবে মাত্র ১১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান এটিকে আর্থিক অব্যবস্থাপনার সমস্যা বলে মনে করেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, সাধারণ সরঞ্জাম কেনার জন্য বরাদ্দ অর্থের মাত্র ২৭ শতাংশ খরচ হয়েছে। ভ্রমণ ও স্থানান্তর খাতে ব্যয়ের হার ছিল ৬৮ শতাংশ এবং পেশাগত সেবা ও সম্মানী খাতে ৫৯ শতাংশ।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, স্বাস্থ্য খাতের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকলেও এর কার্যকর ব্যবহার কম। গত দুই বছরে ৮৪ দশমিক ২ শতাংশ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। তাঁদের মাত্র ৪০ শতাংশ অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করছেন।

সুপারিশ

অনুষ্ঠানে গবেষণার ফল তুলে ধরে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নয়; বরং বরাদ্দের অর্থকে কার্যকর স্বাস্থ্যসেবায় রূপান্তর করার সক্ষমতা গড়ে তোলাই জরুরি। তিনি বলেন, এ জন্য স্বল্প মেয়াদে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ, বাজেট ব্যয়ের খাতভিত্তিক বিশ্লেষণ বাধ্যতামূলক করা, বাজেট ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা চালু এবং সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়া আরও সহজ ও নমনীয় করা প্রয়োজন।

মধ্য মেয়াদে হাসপাতাল পরিচালনায় পেশাদার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা এবং আর্থিক ক্ষমতা আরও বিকেন্দ্রীকরণের সুপারিশ করেন হোসেন জিল্লুর রহমান। আর দীর্ঘ মেয়াদে এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) আধুনিকায়ন, কাঁচামালের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং কেন্দ্রীয় চিকিৎসা সরঞ্জামাগারের (সিএমএসডি) বিতরণব্যবস্থা আরও কার্যকর করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক মো. এনামুল হক। এতে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের পরিচালক মোহাম্মদ কবির উদ্দীন প্রমুখ।

About Editor Todaynews24

Check Also

শাকিব খানকে নিয়ে যে পরিকল্পনা করেছে রায়হান রাফি

শাকিব খানকে নিয়ে যে পরিকল্পনা করেছে রায়হান রাফি

বিনোদনজগতের তারকাদের সমসাময়িক কাজ, সাফল্য আর স্বপ্ন-পরিকল্পনার গল্প নিয়ে প্রথম আলো ডটকমের নিয়মিত আয়োজন ‘মেরিল ক্যাফে লাইভ’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *