‘বৃক্ষ শুধু রোপণ নয়, যত্ন নিয়ে বাঁচাতে হয়’ প্রতিপাদ্যে দুই দফায় ৬০০টি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করেছে খুলনা বন্ধুসভা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩ আগস্ট, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণ করেছেন বন্ধুসভার সদস্যরা।
এদিন সকাল সোয়া ১০টায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম। তিনি একটি ফলদ গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক আজমল হুদা, অধ্যাপক মো. নাসিফ আহসান ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক স্বর্ণকমল রায়।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে খুলনা বন্ধুসভা সভাপতি স্বর্ণকমল রায় বলেন, ‘এই পৃথিবীতে গাছ আছে বলে মানব সভ্যতা টিকে আছে। আমাদের অস্তিত্ব টিকে আছে শুধু গাছের কারণে। গাছ ছাড়া আমরা অস্তিত্বহীন। পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত সামর্থ্য অনুযায়ী গাছ লাগানো।’
কর্মসূচিতে ফলদ, বনজ ও ভেষজ প্রজাতির ৩০০টি চারা রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। চারার মধ্যে ছিল কাঁঠাল, আম, পেয়ারা, বহেরা, হরীতকী, নিম, বকুল ফুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ।

এর আগে প্রথম ধাপে গত ২৭ জুলাই বটিয়াঘাটার প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠে ৩০০টি চারা রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
প্রগতি মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত কুমার রায় বলেন, ‘গাছ আমাদের পিতা-মাতার মতো ছায়া দেয়। পরিবেশ রক্ষায় গাছের কোনো বিকল্প নেই। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, প্রতিটি গাছের নিয়মিত যত্ন ও পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে সবার।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে খুলনা বন্ধুসভার সহসভাপতি হাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেটির নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে হবে। গাছ আমাদের নীরব বন্ধু, সবকিছু উজাড় করে পরিবেশকে বাঁচায়।’
কর্মসূচিতে খুলনা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক ফারজানা যুথি, সহসভাপতি হাফিজুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক সৌরভ ঘোষ, অর্থ সম্পাদক অনির্বাণ সরকার, দপ্তর সম্পাদক আল রাইসা, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক দ্বীপ মণ্ডল, বন্ধু আবদুল্লাহ আল কাফি, সুদীপ্ত রায়, সায়েদুল সরদারসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাধারণ সম্পাদক, খুলনা বন্ধুসভা