সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করা হয়েছে। এটি দেশের একমাত্র উপকূলীয় নদীবন্দর হিসেবে পরিচিতি পেল। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সীমানা নির্ধারণ করে মঙ্গলবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) এই প্রজ্ঞাপন গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়। একই দিনে একটি পৃথক গেজেটে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সন্দ্বীপ উপকূলীয় নদীবন্দরের সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
নদীবন্দর ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে সন্দ্বীপ নদীবন্দরের চারদিকের সীমানা, অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ উল্লেখ করা হয়েছে। ভূ-ভাগের সীমানার বর্ণনায় বলা হয়েছে, সন্দ্বীপ দ্বীপের চারপাশের তীরের সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ মিটার পর্যন্ত সীমানা বিস্তৃত হবে। সন্দ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ওই সীমানার মধ্যে অবস্থিত খালগুলোও নদীবন্দরের সীমানার অন্তর্ভুক্ত হবে।
এখন দেশের নদীবন্দরগুলোর সংখ্যা দাঁড়াল ৫৪টিতে। এর মধ্যে ৪টি বড় নদী বন্দর হলো ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল। এছাড়া দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হিসেবে রয়েছে ঢাকার পানগাঁও।
সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করার ফলে দেশের নৌপথের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেল, এবং নদী পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি সাধনে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
Today News 24