সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / ১৫-০, ২৭-০, ২৩-০…জার্মানির এক ছোট্ট ক্লাবকে প্রতিবছর এমন গোলবন্যায় ভাসায় বায়ার্ন
১৫-০, ২৭-০, ২৩-০...জার্মানির এক ছোট্ট ক্লাবকে প্রতিবছর এমন গোলবন্যায় ভাসায় বায়ার্ন

১৫-০, ২৭-০, ২৩-০…জার্মানির এক ছোট্ট ক্লাবকে প্রতিবছর এমন গোলবন্যায় ভাসায় বায়ার্ন

১৫-০, ২৭-০, ২৩-০…জার্মানির এক ছোট্ট ক্লাবকে প্রতিবছর এমন গোলবন্যায় ভাসায় বায়ার্ন

স্কোরলাইন দেখলে আপনি ভাবতে পারেন, এটা কোনো টাইপো। ১৫-০। কিন্তু না, এটাই বাস্তব। তিন দিন আগে বাভারিয়ার পাহাড়ঘেরা ছোট্ট শহর রোটাখ-এগার্নের বুর্কেনমুজ স্টেডিয়ামে বায়ার্ন মিউনিখ প্রতিপক্ষের জালে বল জড়িয়েছে ১৫ বার। প্রতিপক্ষ এফসি রোটাখ-এগার্ন জার্মান ফুটবলের নবম স্তরের এক ক্লাব, যাদের ফুটবলাররা খেলাটা খেলেন শখে।

অথচ প্রতি গ্রীষ্মে এই ক্লাবই খেলে বায়ার্নের বিপক্ষে—আর প্রতিবারই ফল প্রায় একই রকম নির্মম। দুই ক্লাবের সবশেষ তিন সাক্ষাতের গোল ব্যবধান ছিল ১৪-১, ২৭-০ ও ২৩-০। কেন প্রতিবছর বায়ার্ন এই ছোট্ট ক্লাবটির বিপক্ষেই খেলে, আর কেন প্রতিবারই এমন গোল-উৎসব?

উত্তর লুকিয়ে আছে প্রায় চার দশক আগের এক সিদ্ধান্তে। ১৯৮৬ সালে বায়ার্ন প্রথমবারের মতো প্রাক্‌-মৌসুম প্রস্তুতি শিবিরের জন্য রোটাখ-এগার্নে যায় এবং সেখানকার স্থানীয় এক হোটেলে নিয়মিত ওঠা শুরু করে। যেটা একসময় হয়ে যায় ক্লাবের ঐতিহ্য। মাঝে ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান কোচ থাকাকালে গ্রীষ্মকালীন শিবির পুরোপুরি বাতিল করে দলকে মিউনিখেই অনুশীলন করিয়েছিলেন।

এ ছাড়া প্রায় প্রতি মৌসুমেই টেগার্নসি লেকের পাড়ের এই ছোট্ট শহরে মৌসুম শুরুর আগে প্রস্তুতি নেয় বায়ার্ন।সেটির অবশ্য কারণও আছে। টেগার্নসি উপত্যকা মিউনিখ থেকে ঘণ্টাখানেকের পথ। আবহাওয়া প্রশিক্ষণের জন্য আদর্শ, আর স্থানীয় ক্লাবের বুর্কেনমুজ মাঠের অবকাঠামোও পেশাদার দলের চাহিদা মেটানোর মতো। এতটাই যে শুধু বায়ার্ন নয়, ইউরোপের আরও অনেক বড় ক্লাব একই মাঠে প্রস্তুতি নিতে আসে।

প্রস্তুতি ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখ

২০০৮ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের এফসি বাসেল, বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ, এমনকি একসময় ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুলও এখানে প্রস্তুতি শিবির করে গেছে। স্থানীয় ক্লাবের এক কর্মকর্তা রসিকতা করে বলেছিলেন, চীনেও টিভিতে এই উপত্যকার পাহাড়ের ছবি দেখা যায়—এতটাই বিখ্যাত হয়ে উঠেছে জায়গাটা।

নিয়মিত এখানে আসতে আসতে এই শহরের সঙ্গে অন্য রকম একটা যোগসূত্র হয়ে গেছে বায়ার্নের। সে জন্যই এখানকার স্থানীয় ক্লাবের সঙ্গে খেলা শুরু করে সৌহার্দ্য বিনিময়ের অংশ হিসেবে। প্রতিবছর গন্ডায় গন্ডায় গোল খেলেও রোটাখ-এগার্নের খেলোয়াড়দের কাছে এই ম্যাচ পরাজয়ের লজ্জা নয়; বরং সারা বছরের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিন। এবার তো রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গিয়েছিলেন ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ লুকাস পেৎসোল্ড, যিনি খেলা শেষের কয়েক মিনিট আগে মাঠে নেমেছিলেন। একপেশে স্কোরলাইন ছাপিয়ে বায়ার্নের সঙ্গে ম্যাচটা রোটাখ-এগার্নের কাছে উৎসবের মতোই।

About Editor Todaynews24

Check Also

ইনফান্তিনো চেয়ার ধরে রাখতে ট্রাম্পের সাহায্য চান

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একটি অংশ বিক্রির পরিকল্পনার কথা প্রকাশ করে বিপাকে পড়েছেন। তিনি এখন নিজের চেয়ার ধরে রাখার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাহায্য চাইছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *