সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭। বিজ্ঞান (অধ্যায় ১): টক্সিন–জাতীয় খাদ্য মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর
এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭। বিজ্ঞান (অধ্যায় ১): টক্সিন–জাতীয় খাদ্য মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর

এসএসসি পরীক্ষা ২০২৭। বিজ্ঞান (অধ্যায় ১): টক্সিন–জাতীয় খাদ্য মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর

বিজ্ঞান: সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন

অধ্যায়–১

প্রশ্ন: খাদ্য সংরক্ষণ কেন গুরুত্বপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: খাদ্যের গুণগত মান ঠিক রেখে একে দীর্ঘদিন ব্যবহার উপযোগী করে রাখার উপায় হলো খাদ্য সংরক্ষণ। এর মাধ্যমে খাদ্য দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং পচে যায় না। এতে খাদ্যের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ বজায় থাকে। খাদ্য অপচয় কমে এবং প্রয়োজনের সময় সহজে ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া দুর্যোগ বা খাদ্যসংকটের সময় সংরক্ষিত খাদ্য অনেক উপকারে আসে।

প্রশ্ন: টক্সিন–জাতীয় উপাদানগুলো আমাদের জন্য ক্ষতিকর কি না—ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া খাদ্য নষ্ট করে সেখানে একধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি করে। এই বিষাক্ত উপাদানকে টক্সিন বলে। এই টক্সিনগুলো নানা ধরনের হয় এবং কোনো কোনো টক্সিনে আক্রান্ত হওয়াকে ফুড পয়জনিং বলে। টক্সিন স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটায়। তাই টক্সিন–জাতীয় উপাদানগুলো আমাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

প্রশ্ন: শিক্ষক বললেন, মাদক সেবন সমাজ ও দেশের উন্নতির পরিপন্থী—ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে মাদকের নেতিবাচক প্রভাবের দিকে ইঙ্গিত করেন। মাদকাসক্তি কেবল একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ধ্বংস করে না; বরং এটি পারিবারিক শান্তি নষ্ট করার পাশাপাশি সামাজিক শৃঙ্খলা ও নৈতিক মূল্যবোধকেও চরমভাবে বিঘ্নিত করে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়তে পারে, ফলে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তাই মাদকের ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি।

প্রশ্ন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন বন্ধ রাখা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন বন্ধ রাখা প্রয়োজন। কারণ, তামাকের মধ্যে থাকা নিকোটিন নামক পদার্থ মানুষের নার্ভকে সাময়িকভাবে উত্তেজিত করে এবং নানাভাবে ক্ষতি করে। শিক্ষার্থীরা তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন দেখলে বয়সের কারণে কৌতূহলবশত তামাকজাত দ্রব্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যেতে পারে।

প্রশ্ন: শরীরচর্চার প্রয়োজনীয়তা লেখো।

উত্তর: শরীরচর্চার প্রধান প্রয়োজনীয়তা হলো শরীরের সুস্থতা ও স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখা। নিয়মিত শরীরচর্চা করলে মাংসপেশির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সতেজ রাখে এবং দেহতন্ত্র সতেজ করে, যা দৈনন্দিন স্বাভাবিক হাঁটাচলা ও কর্মদক্ষতায় সহায়তা করে। এ ছাড়া শরীরচর্চার মাধ্যমে শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া উন্নত হয়, পাচনক্ষমতা ভালো হয়, তাপ নিয়ন্ত্রণসহ অনেক উপকার হয়। এ জন্য দেহকে সুস্থ রাখার জন্য নিয়মিত শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্ন: HIV আক্রান্ত দেহে কী ঘটে—ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: HIV দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। দেহের রক্তস্রোতে প্রবেশ করার পর রক্তের শ্বেতকণিকার টি-লিম্ফোসাইটকে আক্রমণ করে। এ কারণে এগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দেহের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে নানা রকম বিরল রোগের সংক্রমণ ঘটে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে শ্বাসতন্ত্রের রোগ, মস্তিষ্কের রোগ, পরিপাকতন্ত্রের রোগ ও টিউমার।

  • মো. ফারুক হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক
    বাংলাদেশ ব্যাংক উচ্চবিদ্যালয়, মতিঝিল, ঢাকা

About Editor Todaynews24

Check Also

স্মার্টফোন কীভাবে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করে

স্মার্টফোন কীভাবে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্ত করে

জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *