Home / সকল আপডেট / ড্রাই ওয়াশের কাপড়গুলো যেভাবে বাড়িতে ধোয়া যাবে
ড্রাই ওয়াশের কাপড়গুলো যেভাবে বাড়িতে ধোয়া যাবে

ড্রাই ওয়াশের কাপড়গুলো যেভাবে বাড়িতে ধোয়া যাবে

পোশাক ড্রাই ক্লিনে দেওয়া বেশ ব্যয়বহুল ও ঝামেলাপূর্ণ বিষয়। তাই অনেকেই খোঁজেন বিকল্প উপায়। বাড়িতেই এ ধরনের পোশাক পরিষ্কার করা যায় যা অনেকেরই অজানা।

ধরন বুঝে কাপড় বাড়িতেই ধোয়া সম্ভব

পোশাকের ট্যাগে ‘ড্রাই ক্লিন ওনলি’ নির্দেশনাটা অনেকেরই ভাবনার কারণ। গরম ও বৃষ্টির দিনে এ ধরনের পোশাক একবার পরলেই ধোয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। চাইলে বাড়িতেই যত্নে পরিষ্কার করা যায় এ ধরনের পোশাক।

‘বিবিয়ানা’র স্বত্বাধিকারী ফ্যাশন ডিজাইনার লিপি খন্দকার বলেন, ‘আমাদের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিদিন পরার কাপড় ড্রাই ওয়াশ করা সম্ভব নয়।’ তাঁর মতে, সব ধরনের কাপড়ের জন্য ড্রাই ওয়াশ প্রয়োজন হয় না। বরং কাপড়ের ধরন বুঝে বাড়িতেই ধোয়া সম্ভব। তিনি বলেন, জামদানি, কাতানের মতো দামি কোনো শাড়ি হলে সেটি লন্ড্রিতে দিয়ে ড্রাই ওয়াশ করা যেতে পারে।

সিল্কের পোশাক নিয়ে লিপি খন্দকার বলেন, ‘সিল্কের পোশাকে ড্রাই ওয়াশ করার নির্দেশনা দেওয়া থাকলেও তা শ্যাম্পু দিয়েই ধোয়া যেতে পারে। শ্যাম্পুতে শক্তিশালী কোনো ডিটারজেন্ট নেই, তাই উজ্জ্বলতাও থাকে, রংও বজায় থাকে।’ হালকা পরিষ্কারক ব্যবহার করা সিল্কের জন্য নিরাপদ।

সুতি বা লিনেন কাপড়ের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সহজ। এসব কাপড় সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়েই ধোয়া যায়। তবে প্রিন্টের কাপড়ের ক্ষেত্রে কিছুটা বাড়তি সতর্কতা জরুরি। লিপি খন্দকারের পরামর্শ, ‘ব্লক প্রিন্ট ও স্ক্রিনপ্রিন্ট গা ধোয়ার সাবান দিয়ে ধোয়া যেতে পারে। কারণ, কাপড় ধোয়ার সাবানে ক্ষার বেশি থাকে।’

তাঁর মতে, সাধারণ সিল্ক বা সুতি কাপড়ের জন্য ড্রাই ওয়াশের প্রয়োজন নেই। বিশেষ করে টাঙ্গাইলের জরিপাড় ছাড়া অন্য সব সুতির শাড়ি সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যায়। ধোয়ার পর ভালোভাবে শুকিয়ে নিয়ে ইস্তিরি করলে কাপড়ের সৌন্দর্য বজায় থাকে।

সরলার স্বত্বাধিকারী মানসুরা ইয়াসমিন কিছু কাপড়ের ক্ষেত্রে বাড়তি সচেতনতার কথা বললেন, ‘যেসব কাপড়ে আলাদা রং দিয়ে ব্লক বা স্ক্রিনপ্রিন্ট করা হয়, সেগুলো বারবার ধোয়া হলে যখন রং নষ্ট হয় তখন আমরা ব্লকের দোষ দিই।’

তাঁর মতে, আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পোশাক যেমন অফিস, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরার কাপড় অবশ্যই ধুতে হবে, তবে নিয়ম মেনে। তিনি বলেন, ‘ধোয়ার সময় খুব ঘষাঘষি করা যাবে না, বেশিক্ষণ ভিজিয়ে রাখা যাবে না। আলতো হাতে শ্যাম্পু দিয়ে ধুলে পোশাক বেশি দিন টেকসই হবে।’

এ ছাড়া তিনি তরল ডিটারজেন্ট ব্যবহার এবং গরম পানি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিলেন। কারণ, গরম পানি কাপড়ের রং ও টেক্সচার নষ্ট করতে পারে। হালকা ঠান্ডা বা স্বাভাবিক পানিই সবচেয়ে নিরাপদ।

About Editor Todaynews24

Check Also

আজ ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’

রাজধানী ঢাকার বাতাসের মান বছরের বেশিরভাগ সময় অস্বাস্থ্যকর বা সংবেদনশীলদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে থাকে। শীতকাল তথা শুষ্ক মৌসুমে দূষণের মাত্রা বেশি বাড়ে। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, যে দিনগুলোতে কম-বেশি বৃষ্টি হয় সেসব দিনেও ভালো বাতাস পাচ্ছে না নগরবাসী। সাম্প্রতিক দূষণের স্কোর তেমন তথ্যই...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *