সর্বশেষ খবর
Home / সকল আপডেট / সম্পদের হিসাব না দেওয়ায় সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীর ৩ বছর কারাদণ্ড
এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান। ২০২৫ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে কারাগারে রয়েছেন তিনি।

সম্পদের হিসাব না দেওয়ায় সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীর ৩ বছর কারাদণ্ড

সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় তিন বছরের কারাদণ্ডাদেশ হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার (এস কে) সুর চৌধুরীর।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২-এর বিচারক আয়েশা নাসরিন এ রায় দেন।

দুদকের আইনজীবী এস এম আবুল কালাম (আজাদ) এ খবর জানিয়েছেন।

১৫ জুলাই রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

এস কে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, এস কে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁর এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়দেনা, আয়ের উৎস ও সম্পদ অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল দুদক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি সেই বিবরণী দাখিল করেননি।

২০২৫ সালের ৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই বছরের ৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচার। মামলার সাতজন সাক্ষীর সবার সাক্ষ্য নিয়ে আদালত রায় দিলেন।

আলোচিত পি কে হালদারের আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম আসায় ২০২২ সালে এস কে সুরের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগ আছে, এস কে সুর ডেপুটি গভর্নর থাকাকালে আলোচিত এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারের (পি কে হালদার) ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন এবং সুবিধা নিয়েছেন।

About Editor Todaynews24

Check Also

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রাশিয়া ইরানকে সহায়তার তথ্য এলেও ট্রাম্প কেন পাত্তা দিচ্ছেন না

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন, তখন তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের অর্থায়নে পরিচালিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর অর্থসহায়তার পথ বন্ধ করে দেওয়া। ট্রাম্প উল্লেখ করেছিলেন, সশস্ত্র এসব প্রক্সি গোষ্ঠী বহু মার্কিন সেনাকে হত্যা ও আহত করার জন্য দায়ী। তবে রাশিয়া ইরানকে ওই মার্কিন সেনাদের লক্ষ্যবস্তু করতে সাহায্য করছে কি না,…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *