মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগ আজ চরম দুরবস্থার মুখোমুখি। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে তাদের কার্যক্রম প্রায় অনুপস্থিত। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের মত গুরুত্বপূর্ণ দিনেও কোনো কর্মসূচিতে দেখা যায়নি দলটির নেতা–কর্মীদের।
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর শুধু দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা নয়, দলের অনেক শীর্ষ নেতাও দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। কেউ কারাবন্দী, কেউ পলাতক। একসময়ের ব্যস্ততম ধানমন্ডির কার্যালয় এখন নিস্তব্ধ। আগে যেখানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত, আজ সেখানে সুনসান নীরবতা।
অনেকেই মনে করেন, আওয়ামী লীগের এই পরিণতির জন্য দায়ী তাদের নিজস্ব আচরণ। দলের নেতা-কর্মীদের চরম বাড়াবাড়ি, স্বৈরাচারী মনোভাব, এবং সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়নই তাদের পতনের মূল কারণ বলে মনে করেন অনুগত সমর্থক ও সাধারণ জনগণ।
একাধিক সমর্থক বলেন, “নিজেদের ভুলেই আওয়ামী লীগ ধ্বংস হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করলে আজ এই পরিস্থিতি হত না।” তারা আশা প্রকাশ করেন, “আবারও নতুন করে ভাল কিছু হোক। সংঘর্ষ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সুষ্ঠু রাজনীতি ফিরে আসুক।”