বিরোধী দলগুলোর ইউনকে অভিশংসন করতে অন্তত আটটি পিপিপি ভোটের প্রয়োজন ছিল, কারণ ৩০০ আসনবিশিষ্ট একক চেম্বারের পার্লামেন্টে বিরোধীদের আসন ১৯২টি এবং অভিশংসনের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। সে অনুসারে, প্রয়োজনের চেয়ে ৪টি ভোট বেশি পড়েছে ইয়ুনের অভিশংসনের পক্ষে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইওলকে অভিশংসন করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) ইয়ুনের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাবের ভোটাভুটিতে ২০৪ জন আইনপ্রণেতা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। খবর বিবিসি।
এর ফলে ইয়ুন এখন তাৎক্ষণিকভাবে পদ থেকে বরখাস্ত হবেন, এবং প্রধানমন্ত্রী হান ডাক সু ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত পার্লামেন্টের ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে। ইয়ুনের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য আদালতের হাতে ১৮০ দিন সময় আছে।
বিরোধী দলগুলোর ইউনকে অভিশংসন করতে অন্তত আটটি পিপিপি ভোটের প্রয়োজন ছিল, কারণ ৩০০ আসনবিশিষ্ট একক চেম্বারের পার্লামেন্টে বিরোধীদের আসন ১৯২টি এবং অভিশংসনের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। সে অনুসারে, প্রয়োজনের চেয়ে ৪টি ভোট বেশি পড়েছে ইয়ুনের অভিশংসনের পক্ষে।
দেশে সামরিক আইন জারির কারণে দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন ভোটের সম্মুখীন হন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়ুন সুক-ইওল। স্বল্পস্থায়ী সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার কারণে আজ শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) তাকে দ্বিতীয়বারের মতো অভিশংসন ভোটের মুখোমুখি হতে হয়।
গত ৩ ডিসেম্বর সামরিক শাসন জারির সিদ্ধান্ত নেয়ার ছয় ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বিরোধিতার মুখে ইয়ুন সেটি প্রত্যাহারে বাধ্য হন। তবে তার এই পদক্ষেপ দক্ষিণ কোরিয়াকে ঠেলে দেয় সাংবিধানিক সংকটের মুখে। আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ইউনের পদত্যাগের দাবি আসতে থাকে চারদিক থেকে। বিরোধী দলগুলো অভিশংসন ভোটের আগে বড় ধরনের বিক্ষোভ আয়োজন করেছে।
ইয়ুনের রক্ষণশীল পিপল পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) এক সপ্তাহ আগে প্রথম অভিশংসন ভোট বয়কট করেছিল। যার ফলে কোরাম পূরণ করা সম্ভব হয়নি। পিপিপি নেতা হান ডং-হুন দলের সদস্যদের এবার অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান এবং অন্তত সাতজন পিপিপি সদস্য অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেয়ার কথা বলেছিলেন।